Tuesday , 17 July 2018
Breaking News
Home » সুপারহিরো অরিজিন » সুপারহিরো অরিজিন : Iron Man মার্ভেল ইউনিভার্সের জনপ্রিয় এবং গুরুত্বপূর্ণ কমিক ক্যারেকটার

সুপারহিরো অরিজিন : Iron Man মার্ভেল ইউনিভার্সের জনপ্রিয় এবং গুরুত্বপূর্ণ কমিক ক্যারেকটার

সুপারহিরো অরিজিন : Iron Man মার্ভেল ইউনিভার্সের জনপ্রিয় এবং গুরুত্বপূর্ণ কমিক ক্যারেকটার

1

Superhero Origin : Iron Man

“Gentlemen, I am prepared to tell whatever you wish to know about Iron Man!”

চলুন কথা বলি মার্ভেল ইউনিভার্সের অন্যতম জনপ্রিয় এবং গুরুত্বপূর্ণ কমিক ক্যারেকটার, Genius Billionaire Philanthropist Playboy, Iron Man AKA Tony Stark কে নিয়ে।

কমিক ইউনিভার্সে এই চরিত্রকে নিয়ে আসেন লেজেন্ডারী Stan Lee; Tales Of Suspense এর ৩৯ নং ইস্যুতে, ১৯৬৩ সালে। চরিত্রের ডিজাইনিংয়ে ছিলেন Jack Kirby এবং Don Heck. অবশ্য, এর ডেভেলপমেন্টে Larry Lieber এর ভূমিকাও কম নয়।

টনির পুরো নাম Anthony Edward Stark. বাবা বিখ্যাত মিলিয়নেয়ার ইন্ডাস্ট্রিয়ালিস্ট, ওয়েপন ডিজাইনার, সায়েন্টিস্ট, ইঞ্জিনিয়ার Howard Stark এবং মা Maria Collins Carbonell Stark.

Origin of TONY STARK-
a
টনির অরিজিন জানার আগে সমসাময়িক দুই দম্পতি সম্পর্কে জেনে আসা উচিত।

নিঃসন্তান দম্পতি Howard and Maria Stark. মারিয়ার অন্তঃসত্ত্বাকালীন অবস্থায় ডাক্তার জানিয়ে দেয় তাদের পক্ষে কখনো বাবা-মা হওয়া সম্ভব নয়, তাদের সন্তান প্রসবের পরপরই মারা যাবে। হাওয়ার্ড তার সব রিসোর্স কাজে লাগায় যাতে তাদের অনাগত সন্তানকে কোনো না কোনোভাবে বাঁচানো যায়। এভাবেই একসময় “Greys” নামক এক এলিয়েন জাতিভুক্ত সদস্য Rollo’র সাথে হাওয়ার্ডের দেখা হয়। Rollo তাকে Rigellian Recorder 452 নামের এক রোবটের সন্ধান দেয়, যা তাকে সাহায্য করতে পারবে। হাওয়ার্ড রোবটটিকে “Stark Seven” নামের এক প্রাইভেট মার্সেনারি গ্রুপের সাহায্যে লাস ভেগাসের এক ক্যাসিনো থেকে চুরি করে নিয়ে আসে। রোবটটি জানায় আগামী কয়েক দশকের মধ্যেই পৃথিবীতে সুপারহিউম্যানদের সংখ্যা বেড়ে যাবে, যারা এই পৃথিবীকে ধ্বংসের মুখে ফেলবে। 451 প্রস্তাব দেয়, সে হাওয়ার্ডের সন্তানের ডিএনএ ও ব্রেইন অল্টার করবে, যাতে সে সুস্থভাবে জন্মায় এবং পরবর্তীতে এক জিনিয়াস হয়ে বিভিন্ন অস্ত্র তৈরী করবে, যাতে পৃথিবীকে এসব সুপারহিউম্যান থ্রেট থেকে বাঁচাতে পারে। হাওয়ার্ড রাজি হয় কিন্তু রোবটের ওপর তার সন্দেহ থেকেই যায়। সে 451-এর অল্টারেশন চেক করে এবং দেখতে পায়, জেনেটিক এক কিলসুইচের কারণে এই সন্তান পূর্নবয়স্ক হলেই মারা যাবে। সাথে সাথেই হাওয়ার্ড আবার কিছু জেনেটিক্যাল চেঞ্জ এনে এই কিলসুইচ মুছে ফেলে, রোবটটিকে না জানিয়েই। বাচ্চা জন্মের সময় স্টার্ক ম্যানশনে Greys-রা হামলা করে। তবে, Stark Seven এর সহায়তায় এ যাত্রায় তারা বেঁচে যায় এবং এ সবকিছু গোপণ রাখতে হাওয়ার্ড পৃথিবীতে অবস্থানকারী সকল Grey দের মেরে ফেলে। হাওয়ার্ডের সন্তান সুস্থভাবেই পৃথিবীতে জন্ম নেয়।

হাওয়ার্ড তার সন্তানের নাম রাখে Arno Stark. জেনেটিক্যাল চেঞ্জের কারণে Arno ঠিকভাবে হাঁটাচলা করা বা শ্বাস নিতে পারতো না। সন্তানকে নিরাপদে রাখার জন্য সে একটি সেফহাউজ বানায়, এবং একটি Breathing Device তৈরী করে দেয়, যাতে ঠিকভাবে নিশ্বাস নিতে পারে। এছাড়াও সেফহাউজে নিয়মিতই বিভিন্ন ফ্যাসিলিটি প্রোভাইড করা হতো। হাওয়ার্ড এবং মারিয়া Arno-কে মৃত্যুর আগ পর্যন্তই সিক্রেট রাখে।

এবার S.H.I.E.L.D. এর দুই এজেন্ট সম্পর্কে জানবো।

Jude ও Amanda Armstrong এর পরিচয় হয় এক গুপ্ত মিশনে। জুড আমান্ডাকে এক অ্যাসাসিনের হাত থেকে বাঁচায়। তারা একে অপরের সাথে ঘনিষ্ঠ হতে শুরু করে এবং একসময় একে অপরকে ভালোবেসে ফেলে। দুই বছরের সম্পর্কের পর আমান্ডা গর্ভবতী হয়ে পড়ে। বেশ কয়েকমাস পর সে জানতে পারে, জুড হাইড্রার এক সিক্রেট এজেন্ট; যে বেশ কিছু শিল্ড এজেন্টের মৃত্যু এবং তথ্য পাচারের জন্য দায়ী। এ বিষয়ে দুজনের তর্কাতর্কির একপর্যায়ে আমান্ডা অনিচ্ছাকৃতভাবে জুড’কে মেরে ফেলে। এই ঘটনার পর সে S.H.I.E.L.D. Director Nick Fury’র কাছে যায়, যেনো সে তার অনাগত সন্তানের জন্য একটি নিরাপদ ভবিষ্যতের ব্যবস্থা করে দিতে পারে। কিন্তু জন্মানোর পরপরই নিক ফিউরি বাচ্চাটিকে বুলগেরিয়ার এক অনাথাশ্রমে রেখে আসে।

আমান্ডার সন্তান জন্মের খবর জানার পর হাওয়ার্ড বুলগেরিয়ায় বাচ্চাটিকে ট্র‍্যাক করে দত্তক নেয়। নাম দেয় Tony Stark। টনি-কে হাওয়ার্ড ও মারিয়ার নিজ সন্তান হিসেবে বড় করা হয়। তবে, হাওয়ার্ড একটি রেকর্ডিং বানিয়ে রাখে, যাতে টনি ভবিষ্যতে কোনো একসময় এই সত্য জানতে পারে।

টনি অনেক অর্থবিত্তের মাঝে বড় হলেও, তার ছোটবেলা তেমন সুখকর ছিলো না। মারিয়া স্টার্ক টনি-কে খুব ভালোবাসলেও, হাওয়ার্ডের সাথে টনির সম্পর্ক খুব একটা ভালো ছিল না। হাওয়ার্ড ততদিনে মদ্যপায়ী হয়ে পড়ে, ফলে যেকোনো কিছুতেই টনি-কে বকাঝকা করতো। এছাড়াও শারীরিকভাবে কিছুটা দূর্বল হওয়ায় অনেক ভৎসর্নার শিকার হতো। এতে ছোটবেলা থেকেই টনি ডিপ্রেশনে ভোগে এবং এ থেকে পরিত্রানের চেষ্টায় ইলেক্ট্রনিক্সের দিকে ঝুঁকে পড়ে। মানুষের প্রতি তার এক ধরণের ঘৃণা চলে আসে এবং সে ভাবতে শুরু করে একমাত্র হার্ডওয়্যারই আস্থার যোগ্য এবং বোধ্যগম্য। মাত্র ৪ বছর বয়সেই টনি ইলেক্ট্রিক্যাল সার্কিট বানায় এবং খুব কম সময়েই ইঞ্জিনিয়ারিং প্রজিডিতে পরিণত হয়।

মারিয়ার অমতেই টনি-কে সাত বছর বয়সে বোর্ডিং স্কুলে পাঠিয়ে দেয় হাওয়ার্ড। টনি এখানে শৃঙখলা ও নিয়মানুবর্তীতা শিখলেও তার মধ্যে কিছুটা স্বার্থান্ধ মনোভাব চলে আসে। তবে, স্কুললাইফে সে অ্যাথলেটিকসে পারদর্শী হয়ে ওঠায়, শারীরিক উন্নতিও দেখা দেয়।

১৫ বছর বয়সে টনি MIT তে আন্ডারগ্র‍্যাজুয়েট হিসেবে ভর্তি হয় এবং ২১ বছর বয়সে University of Cambridge থেকে Engineering ও Physics এ ডক্টরেট ডিগ্রী লাভ করে। ক্যাম্ব্রিজে টনির সাথে দেখা হয় বিখ্যাত সায়েন্টিস্ট Dr. Ted Slaght এর সাথে। এসময় টনি-কে তিনি সায়েন্সের বিভিন্ন বিষয়ে জ্ঞান আহরণে সাহায্য করেন এবং সায়েন্সের এথিকস ও ভ্যালু সংক্রান্ত নৈতিক শিক্ষা দেন।

টনি খুব তাড়াতাড়িই বোর হয়ে যাওয়ায়, তার গ্র‍্যাজুয়েশন লেভেলের শিক্ষাজীবন কাটে বেশ কয়েকটি ইউনিভার্সিটিতে। এভাবেই, Oxford University-তে পরিচয় হয় আরেক জিনিয়াস ব্রুস ব্যানার (In future who becomes the Hulk) এর সাথে।

২১ বছর বয়সেই টনির মা-বাবা মারা যায়। এতে স্টার্ক ইন্ডাস্ট্রিজের দায়িত্ব বর্তায় টনির ওপর। সে খুব সফল ভাবেই এই দায়িত্ব পালন করে এবং কয়েক বছরের মধ্যেই Stark Industries কে একটি গ্লোবাল কর্পোরেশনে পরিণত করে; যা সায়েন্স ও টেকনোলোজির সব শাখাতেই প্রভাব বিস্তার করে। তবে, সময়ের সাথে সাথে টনির দায়িত্ব বেড়ে যায় এবং সে-ও একসময় মদের নেশায় ডুবে যায়।

Origin of The IRON MAN-

২৩ বছর বয়সে টনি সাউথইস্ট এশিয়ার একটি ওয়ারজোনে যায়, যাতে তার কোম্পানির বানানো অস্ত্রগুলো কিভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে তা জানতে পারে। এসময় টনির গাড়িটি Wong-Chu নামের এক ওয়ারলর্ডের এলাকায় একটি ল্যান্ডমাইনের বিস্ফোরণ ঘটায় এবং এর ফলে তার বুকে একটি ধারালো লোহার টুকরা বিধে যায়, যা ক্রমাগত টনির হার্টের দিকে চলে যাচ্ছিলো। এরপর বিস্ফোরণের একমাত্র সারভাইভর টনি-কে Wong এর লোকেরা ধরে নিয়ে যায়। Wong জানায়, টনির বুকের শার্পনেলটি কিছুদিনের মধ্যেই হার্টে ঢুকে গিয়ে সে মারা যাবে। Wong প্রস্তাব দেয়, টনি যদি তাদেরকে কিছু উচ্চপ্রযুক্তির অস্ত্র বানিয়ে দেয়, তবে তারা শার্পনেলটি তুলে নেবে। যদিও টনি বুঝতে পারে যে এসব মিথ্যে প্রতিশ্রুতি, তারপরও সে রাজী হয়, যাতে সে কিছু সময় এবং রিসোর্স ব্যবহার করে নিজেকে বাঁচিয়ে পালাতে পারে।

টনি’র জন্য একটি ছোটখাটো ল্যাবরেটরির ব্যবস্থা করা হয়, এবং অ্যাসিস্ট্যান্ট থাকে Ho Yinsen নামের এক বিখ্যাত বিজ্ঞানী, যাকে টনি’র মতোই তুলে আনা হয়। এসব টনির বুকের শার্পনেলটি গুরুতর অবস্থায় চলে যাওয়ার সে ইনসেনের সহযোগীতায় একটি পেসমেকারের মতো ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস বানায়, যাতে টনির হৃৎপিন্ডক্রিয়া ঠিকভাবে চলে। এরপর, সে একটি মেটাল স্যুট তৈরী করে, যা তার বুকের রিয়েক্টরের এনার্জিতে চলে; সাথে বিভিন্ন ওয়েপনও এর সাথে যোগ করা হয়। কিন্তু বিপত্তি ঘটে তখনই, যখন Wong Chu তাদের কাজ পরিদর্শনে আসে। তারা বুঝতে পারে, Wong Chu ল্যাবরেটরির এই অবস্থা দেখলে তাদের মেরে ফেলবে। টনি তার স্যুটটি ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেয়, কিন্তু এরজন্য রিয়েক্টরটিকে বেশ কিছুক্ষণ চার্জ দিতে হবে। টনি যেন পর্যাপ্ত সময় পায়, তাই ইনসেন একটি রাইফেল নিয়ে ছুঁটে যায় যাতে কিছুক্ষণের জন্য Wong কে ডিসট্র‍্যাক্ট করতে পারে এবং ফলশ্রুতিতে নিজেকে স্যাক্রিফাইস করে। রিয়েক্টর পুরোপুরিভাবে চার্জড হলে টনি Wong Chu এর সৈন্যদের মেরে ফেলে এবং পুরো এলাকাই ধ্বংস করে পালিয়ে যায়।

আমেরিকায় আসার পর টনি এই স্যুটের এবং রিয়েক্টরের বেশ কিছু মডিফিকেশন আনে, এতে স্যুটটি আগের তুলনায় অনেক হালকা, দ্রুত এবং শক্তিশালী হয়ে ওঠে। সে নতুন স্যুটটি জনসমক্ষে নিয়ে আসে এবং ঘোষণা দেয় কিছুদিনের মধ্যেই এটির ব্যবসায়িকভাবে বিক্রি শুরু হবে এবং নাম হবে, “The Human Machine”. এসময় টনি স্যুটের অরিজিন সবার কাছেই গোপণ রাখে। কিছুদিন পর স্যুটটি চুরি হওয়া থেকে আটকানোর পর টনি বুঝতে পারে যে মন্দলোকের হাতে পড়লে স্যুটটি অনেক ক্ষতিকারক হতে পারে। তাই, সে সিদ্ধান্ত নেয়, স্যুটটি ব্যবসায়িকভাবে তৈরী হবে না।

কিছুদিন পর টনি একটি টেনিসম্যাচ দেখতে যায়। হঠাৎ বেশকিছু টেরোরিস্ট সেখানে হামলা চালায় এবং একটি বিস্ফোরক ব্যবহার করে সবাইকে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। টনি তার স্যুট ব্যবহার করে বিস্ফোরণ ঘটা থেকে সবাইকে বাঁচায়। এ ঘটনার পর টনি স্যুটটি ভালোকাজে ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেয়। তবে, সে নিজের পরিচিতি গোপণ রাখতে ঘোষণা দেয় যে, স্টেডিয়ামে এই “Human Machine” স্যুটটি তার এক বডিগার্ড ব্যবহার করে। কেবলমাত্র গুটিকয়েক ব্যক্তিই ঘটনার সত্যতা জানতো। এছাড়াও আরো বেশকিছু সুপারভিলেনদের প্রতিহত করতে টনি তার আয়রন স্যুট ব্যবহার করে।
এভাবেই “Iron Man” পাবলিক হিরো-তে পরিণত হয়।

First meeting with Arno Stark and Amanda Armstrong-

“Iron Man” হওয়ার বেশ কয়েকবছর পরে এক স্পেস ট্রাভেলের সময় টনি’র সাথে 451 এর দেখা হয়। তবে, রোবটটি টনির অ্যাডপশন সম্পর্কে জানতো না। 451 টনি-কে তার “অরিজিন” সম্পর্কে জানায় এবং তাকে Godkiller নামের একটি আর্মরে জোর করে ঢুকিয়ে দেয়, যা জেনেটিক্যাল মডিফিকেশনের কারণে কেবল হাওয়ার্ডের আসল সন্তান ব্যবহার করতে পারবে। টনি ব্যর্থ হয় এবং 451 হাওয়ার্ডের বিশ্বাসঘাতকতা (more like গুটিবাজি) বুঝতে পেরে টনি-কে মারতে এগিয়ে আসে। তবে টনি 451-কে তার নিজের আয়রন স্যুট দিয়ে ধ্বংস করে দেয়। পৃথিবীতে ফিরে এসে এর কারণ খুঁজে বের করার সিদ্ধান্ত নেয়। এভাবেই টনি হাওয়ার্ডের সেই রেকর্ডটি খুঁজে পায় এবং Arno ও তার নিজের জন্মের সত্যতা জানতে পারে। সে “Maria Stark Foundation” এর নিচে থাকা সেফহাউজে যায় এবং এখানেই টনি ও আর্নো’র প্রথম দেখা হয়। 451 ধ্বংস হওয়ায় আর্নো অবশেষে ঝুঁকিমুক্ত হয় এবং সে টনি’র সাথে পৃথিবীর উন্নয়নে একসাথে কাজ করে।

টনি তার রিসোর্স কাজে লাগিয়ে জানতে পারে Amanda Armstrong এখনো বেঁচে আছে এবং তিনি শিল্ড এজেন্ট হিসেবে রিটায়ার করে বর্তমানে লন্ডনবেজড একজন মিউজিক প্রডিউসার। তাদের মধ্যে পরবর্তীতে পরিচয় হয়।

Tony Stark’s Love Life-

মার্ভেল, if not কমিক ইউনিভার্সের সবচেয়ে বড় প্লেবয়দের একজন টনি স্টার্ক। কমিকসে এপর্যন্ত অনেকের সাথেই টনির রোমান্টিক রিলেশনশিপ দেখানো হয়েছে। এ ব্যাপারে পোস্টের সাইজের খাতিরে বিশদভাবে আলোচনা না করে শুধুমাত্র নামগুলো উল্লেখ করছি।

1. Jules
2. Meredith McCall
3. Naomi Clark
4. Susan Beaumont
5. Sunset Bain
6. Joanna Nivenna (Engaged, but didn’t marry)
7. Marion
8. Veronica Vogue
9. Cassandra Gillespie
10. Maya Hansen
11. Kathy Dare
12. Janice Cord
13. Marianne Rogers
14. Whitney Frost
15. Bethany Cabe
16. Janet Van Dyne
17. Indris Moomji
18. Heather Glenn
19. Brie Daniels
20. Rae Lacoste
21. Dr. Su Yin
22. Veronica Benning
23. Rumiko Fujikawa
24. Calista Hancock
25. Anna Wei
26. Natasha Romanoff
27. Emma Frost (of X-Men franchise)
28. Virginia “Pepper” Potts

And they only trolls Cristiano Ronaldo! 😂😂😂😂

Powers and Abilities-

1. Super Genius Intelligence
2. Expert Engineer
3. Expert Businessman
4. Expert Tactician
5. Expert in Hand to Hand combat and Martial Arts; Trained by Black Panther, Black Widow, Shang-Chi.
6. Expert Marksman
7. Multilingual
8. Hundreds of Armors with various super abilities

টনি স্টার্ক সম্পর্কে Reed Richards এর উক্তি- “Tony Stark is a future man trapped in the present. A prisoner, raging against the slow crawl of human evolution. He is a person who really cares. He’s been on the top and he’s been on the bottom and he’s done all 12 steps and a few more. He knows what it’s like to have a habit that eats you from the inside, like worms. And he knows there’s no easy answer, but every solution to every problem has to start somewhere. He’s just trying to help.”

Trivia-

1. Arno Stark এর জেনেটিক্যাল মডিফিকেশনের কারণে সে Hank Pymm, Reed Richards, Tony Stark-এর তুলনায় যেকোনো কিছুই বেটারভাবে প্র‍্যাক্টিক্যালি চিন্তা করতে পারে।

2. যে অ্যাক্সিডেন্ট এর কারণে ব্রুস ব্যানার হাল্কে পরিণত হয়, সে ব্যাপারে টনি স্টার্ক আগেই তাকে ইমেইলের মাধ্যমে সাবধান করে। কিন্তু, স্টার্কের সাথে রাইভালরির কারণে ব্রুস ইমেইল-টি না পড়েই ডিলিট করে দেয়।

3. Arc Reactor এর কারণে টনি যেকোনো বিষয় খুব দ্রুতই আয়ত্ব করতে পারে।

4. টনি তার বিখ্যাত আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স J.A.R.V.I.S এর নাম দেয় Edwin Jarvis এর নামানুসারে। Edwin স্টার্ক ফ্যামিলির বাটলার ছিলো, ছোটবেলা থেকেই টনি’র দেখাশোনার ভার তার ওপরই ছিলো।

5. স্ট্যান লি’র মতে তিনি “টনি স্টার্ক” চরিত্রটি সেসময়কার ইনভেন্টর ও মাল্টি-বিলিয়নেয়ার Howard Hughes এর অনুকরণে সৃষ্টি করেছিলেন।

6. আমেরিকান সরকারের বিখ্যাত সিক্রেট গবেষণাগার “Area 51” টনি স্টার্কের মালিকানাধীন।

7. টনি স্টার্ক কমিকসের বিভিন্ন সময়ে S.H.I.E.L.D Director, Guardian of The Galaxy’র মেম্বার ও US President’s Secretary of Defense ছিলো।

8. টনি’র বর্তমান প্রেমিকা পেপার পটস-এরও একটি আয়রন স্যুট রয়েছে, Rescue নামে; Model-Mark 1616.

9. এক DC/Marvel ক্রসওভারে Iron Man & Green Lantern-কে মিলিয়ে একটি নতুন সুপারহিরো তৈরী করা হয়, “Iron Lantern”. ক্যারেক্টারের হিউম্যান নেম হয় Hal Stark. তার মাঝে আয়রন ম্যান-গ্রিন ল্যান্টার্ন উভয়েরই অ্যাবিলিটিস থাকে।

10. টনি’র কাছে সকল সুপার পাওয়ার্ড বিয়িং এর ডিটেইলস রয়েছে।

11. টনি’র সবচেয়ে শক্তিশালী আর্মরের একটি Bleeding Edge, যা কার্বনবেইজড ন্যানোমেশিনের তৈরী। এটি টনি’র শরীরের ভেতরেই থাকে এবং এটি আর্ক-রিয়েক্টরের আপগ্রেডেড ভার্সন “High Yield RT Node (The man made star)”-এর এনার্জি ব্যবহার করে। টনি ন্যানোমেশিনগুলোকে নিজের মস্তিষ্ক দিয়েই পরিচালনা করে এবং যেকোনো রুপ দিতে পারে।

12. টনি সর্বপ্রথম হিউম্যান, যে ইনফিনিটি গনলেট ইউজ করে। টনি’র আগে রিড রিচার্ডস পায়, তবে ইউজ করে না।

13. টনি রিড রিচার্ডসকে দাবা খেলায় ২ বার হারায়।

14. রবার্ট ডাউনি’র আগে টম ক্রুজ-কে আয়রন ম্যানের রোল অফার করা হয়। টমের শর্ত ছিলো, তার মুখ স্যুটের হেলমেটের ভেতর ঢেকে রাখা যাবে না, যা ফিল্ম এক্সেকিউটিভস মেনে নেন নি। (Thank God!!!)

পার্সোনালি, টনি স্টার্ক আমার মোস্ট ফেভারিট ফিকশনাল ক্যারেকটার। আমি এখনো বুঝিনা এতো মানুষ কেনো টনি’কে হেইট করে। সে খুবই ইন্টারেস্টিং একটা চরিত্র এবং মার্ভেলের খুব ইম্পরট্যান্ট, if not, THE MOST IMPORTANT ক্যারেকটার। Is it because He’s better than all your favorite characters? Or, Is it because he’s the coolest of them all? You don’t have to love him; Atleast show him the respect he deserves!

Call me Fanboy, I don’t care. 🙂

Tony Stark এর একটি উক্তি দিয়ে আজকের পোস্ট শেষ করছি-

“Everything I’ve done, everything I’ll do today, everything I’ll ever do, I do to protect this world. Someone once told me that, With great power comes great responsibility. That’s usually thought of as a lesson for children. A simple injunction to do the right thing. But there’s nothing simple about it. When I put on this armor, I took on more power than any human was ever intended to have… and maybe more responsibility than my heart can truly bear. But today… I will do my job. I will protect you. No matter what it takes.”

ওরিজিনে কোনো ভুল ত্রুটি থাকলে, কমেন্ট করুন।
কোনো বিষয় না বুঝলে, কমেন্ট করুন।

– ধন্যবাদ।

সুপারহিরো অরিজিন : Iron Man মার্ভেল ইউনিভার্সের জনপ্রিয় এবং গুরুত্বপূর্ণ কমিক ক্যারেকটার Superhero Origin : Iron Man "Gentlemen, I am prepared to tell whatever you wish to know about Iron Man!" চলুন কথা বলি মার্ভেল ইউনিভার্সের অন্যতম জনপ্রিয় এবং গুরুত্বপূর্ণ কমিক ক্যারেকটার, Genius Billionaire Philanthropist Playboy, Iron Man AKA Tony Stark কে নিয়ে। কমিক ইউনিভার্সে এই চরিত্রকে নিয়ে আসেন লেজেন্ডারী Stan Lee; Tales Of Suspense এর ৩৯ নং ইস্যুতে, ১৯৬৩ সালে। চরিত্রের ডিজাইনিংয়ে ছিলেন Jack Kirby এবং Don Heck. অবশ্য, এর ডেভেলপমেন্টে Larry Lieber এর ভূমিকাও কম নয়। টনির পুরো নাম Anthony Edward Stark. বাবা বিখ্যাত মিলিয়নেয়ার ইন্ডাস্ট্রিয়ালিস্ট, ওয়েপন ডিজাইনার,…

Review Overview

User Rating: Be the first one !
0
Do you like this post?
  • Fascinated
  • Happy
  • Sad
  • Angry
  • Bored
  • Afraid

About Admin