Sunday , 27 May 2018
Breaking News
Home » সুপারহিরো অরিজিন » সুপারহিরো অরিজিন : Luke Cage

সুপারহিরো অরিজিন : Luke Cage

সুপারহিরো অরিজিন : Luke Cage

1

Superhero Origin : Luke Cage

★প্রকাশনা-

মার্ভেল ইউনিভার্সের জনপ্রিয় চরিত্র লুক কেজের কমিকবুক অভিষেক ঘটে লেখক আর্চি গোল্ডউইন, জন রোমিটা সিনিয়র এবং জন তুসকার হাত ধরে; ১৯৭২ এর জুন মাসে প্রকাশিত হিরো ফর হায়ার #১ কমিকে।

★অরিজিন-

লুক কেজের প্রকৃত নাম হচ্ছে জন লুকাস। তার জন্ম ও বড় হওয়া নিউইয়র্ক এর হার্লেম শহরের রাস্তায়। তার বাবা জেমস লুলাস একজন অবসরপ্রাপ্ত নিউইয়র্ক পুলিশ ডিপার্টমেন্ট অফিসার আর মা এস্থার লুকাস একজন গৃহিণী। জনের বড় হওয়াটা খুব একটা মসৃণ ছিলোনা। সে টিনেজে থাকতে তার বেস্টফ্রেন্ড ইউলিস স্ট্রাইকারের সাথে দ্য রাইভালস নামে একটা মাস্তানদলে যোগদান করে যারা তাদের সারাদিন তাদের প্রতিদ্বন্দ্বী দল ডায়াবলোস এরসাথে ফাইট করে এবং চুরিচামারি করে এলাকায় বিখ্যাত। তাদের নেতা ছিলো কুখ্যাত ক্রাইমলর্ড সনি কাপুতো, যে হ্যামার নামে পরিচিত। সেসময় সে শহরের সবচেয়ে বড় মাস্তান হওয়ার স্বপ্ন দেখতো, কিন্তু পরবর্তীতে সে বুঝতে এতে করে সে নিজের পরিবারকে অনেক কষ্ট দেয়। তার পূর্ণবয়স্ক হতে হতে সে ভালো হয়ে যায় এবং ভালো একটা চাকুরী খুঁজতে থাকে। তার বন্ধু স্ট্রাইকার অবশ্য আর ভালো হয়নি, তবে তারা ভালোবন্ধু থাকে।

এদিকে স্ট্রাইকারের কাজকর্ম ম্যাগিয়া ওরফে দ্য সিন্ডিকেটকে বিষিয়ে তোলে এবং তারা তাকে আক্রমণ করে বসে। জন তাকে সেখান থেকে বাচায়। কিন্তু সে জনের বাসায় হিরোইনের চালান রেখে পুলিশকে জানায় এবং তাকে জেলহাজতে পাঠানোর প্রহসন করে। জন জেলে থাকতে তার উপর প্রতিশোধ নেয়ার জন্য সিন্ডিকেটের সাথে যোগাযোগ করে এবং তারা আবারও তার উপর আক্রমণ করে, কিন্তু এবার ভাগ্যের জোরে স্ট্রাইকার বেচে গিয়ে পালিয়ে যায়। এদিকে জন তার ছোটভাই জেমস জুনিয়র এর জন্য তার পরিবারের সাথে সমস্ত যোগাযোগ হারিয়ে ফেলে।

জেলহাজতে থাকাকালীন জন তার বন্ধুর প্রতারণার জন্য অনেক ক্ষেপে থাকে এবং বারবার পালাবার চেষ্টা করতে থাকে। তাই তাকে জর্জিয়ায় অবস্থিত দেশের সবচেয়ে সুরক্ষিত সিগেট কারাগারে স্থানান্তরিত করা হয়। সেখানে আলবার্ট বিলি বব রেকহ্যাম নামে এক জেলার তাকে প্রচুর অত্যাচার করে, যারফলে আলবার্ট ডিমোটেড হলে সে কালো কয়েদীদের উপর আরও ক্ষেপে যায়। এসময় ডক্টর নোয়াহ বারস্টেইন জেলহাজত পরিদর্শনে আসে এবং জনকে তার স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে রিক্রুট করে। এই বিজ্ঞানী একটি গোপন সুপার সোলজার প্রজেক্টে যুক্ত থাকে যেটি ওয়ারহককে তার ক্ষমতা প্রদান করে।

জনকে নিয়ে সে একটি ইলেক্ট্রো-বায়োমেকানিকাল সিস্টেমের সাথে তাকে যুক্ত করে, এই সিস্টেমটি দেহের অর্গানিক কেমিক্যাল থেকে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করতে সহায়তা করে। জন এটি থেকে অবশ্য পরে নিজেকে আলাদা করে নেয়। তবে এরফলে তার দেহে ঘটে মিউটেশন, আর তার দেহে চলে আসে অতিমানবিক শক্তি আর স্থায়িত্ব। এইসব ক্ষমতা দিয়ে সে অবশেষে জেল ও প্রজেক্ট থেকে পালিয়ে আসে। ফিরে আসার পর জন এসব ক্ষমতা শহরের ঠগদের দমন করার কাজে ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নেয়।

জেল কর্তৃপক্ষ তাকে ওয়ান্টেড ঘোষণা করলে সে নিজের পরিচয় বদলে ফেলে নতুন নাম ‘লুক কেজ’ নেয়। এরপর একটা কস্টিউম বানিয়ে নিয়ে সে ভাড়াটে হিরো হিসেবে কাজ করা শুরু করে। সে তাকেই সহায়তা করতো যে তাকে উপযুক্ত পরিমাণে পারিশ্রমিক দিতে পারতো। সে নিউইয়র্ক এর টাইমস স্কয়ারের জেম থিয়েটারে একটি অফিস স্থাপন করে, যেটির মালিক ছিলো ডি ডব্লিউ গ্রিফিথ এবং তআআর পরিবার। সে ডক্টর বারস্টেইনকেও এখানে খুঁজে পায়, সে সদ্যই এখানে ডক্টর ক্লেয়ার টেম্পলের সাথে একটি স্টোরফ্রন্ট ক্লিনিক খুলেছে। এদিকে লুককে স্ট্রাইকারের লোকেরা আক্রনণ করার পর লুক টেম্পলের সাথে দেখা করতে যায়। টেম্পল অবাক হয়ে দেখে যে লুক আঘাত পেয়ে এখানে আসেনি, বরং এসেছে তার পার্টনারের ব্যাপারে কথা বলতে।

এদিকে আবার সিন্ডিকেট লুককে আক্রমণ করে বসে প্রটেকশন ফির ব্যাপারে বনিবনা না হওয়ায়। টেমপল তাদের বলে লুকের কথা মেনে নিতে। টেম্পল কয়েকদিন পিরে অপহৃত হলে লুক তাকে খুঁজে বের করতে গিয়ে দেখে যে এসবের পিছনে স্ট্রাইকারের হাত রয়েছে। তবে লুক তারকাছে যায় যাতে সে সবখান থেকে তার আসল নাম মুছে ফেলতে পারে। কিন্তু তারা আক্রমণে জড়িয়ে পরে। আক্রমণের একপর্যায়ে স্ট্রাইকার একটা স্কাইলাইটের উপর গিয়ে এবং তার সাথে থাকা বোম স্কাইলাইটের তাওএ বিষ্ফোরিত হয়। এতে করে লুকের সমস্ত আশা মাটির সাথে মিশে যায়। এরপর বিভিন্নসময় সে বিভিন্ন মানুষের কিংবা দলের হয়ে কাজ করেছে।

★ক্ষমতা ও যোগ্যতা-

*ক্ষমতামাপন-

বুদ্ধি- ৩/৫
শক্তি- ৪/৫
দ্রুতি- ২/৫
টিকে থাকা- ৫/৫
শক্তি সঞ্চয়- ১/৫
আক্রমণ- ৩/৫

*ক্ষমতা-

অতিমানবিক শক্তি- মূল সুপার সোলজার এক্সপেরিমেন্টে অংশ নেয়ার পর লুকের শারিরিক শক্তি সুপারহিউম্যান পর্যায়ে চলে গিয়েছে। তার পক্ষে তখন প্রায় পাচঁটন ভরের কোনকিছু তোলা সম্ভব ছিলো। তবে বছরের পর বছর অভিজ্ঞতা অর্জনের পর সে বর্তমানে প্রায় ২৫ টন ভর তুলে ফেলতে পারে। আর যদি কোন মানসিক চাপ না থাকে তাহলে এই ক্ষমতা দ্বিগুণ হতে পারে। রাইনোকে একঘুষিতে নকআউট করার অভিজ্ঞতা আছে লুকের।

দ্রুতি- সাধারণ স্পিডস্টারদের মতো তার গতি না হলেও সে সাধারণ মানুষ থেকে অনেক দ্রুত। তার পায়ের মাংশপশীতে অধিক পরিমাণ শক্তি অবস্থিত হওয়ায় সে যেকোন অলিম্পিক দৌড়বীর থেকেও বেশি ফাস্ট।

স্থায়িত্ব- লুকের দেহের চামড়া প্রচণ্ড শক্ত এবং তার হাড়ের কলা মজবুতি প্রায় লোহার কাছাকাছি, যা তাকে যেকোন যখম হতে মুক্ত থাকতে সহায়তা করে। কোনরকম বড় জখম ছাড়াই সে ১৫০ পাউন্ড ভরের টিএনটি বিস্ফোরণ সয়ে নিয়েছে। পয়েন্ট ব্ল্যাক রেঞ্জ থেকে গুলি করেও তার কোন ক্ষতি করা প্রায় অসম্ভব ব্যাপার।

*ক্ষতসারন প্রক্রিয়া- লুকের দেহ সাধারণ মানুষের চেয়ে তিনগুণ বেশি দ্রুত ক্ষত সারিয়ে ফেলতে সক্ষম। অবশ্য যদি তার দেহে ক্ষত বানানো যায় তো!

নিক ফিউরির গোপন সুপারহিউম্যান ফাইলে তার ক্ষনতার মাত্রা ৮ ধরা হয়েছে। আয়রনম্যান আর ক্যাপ্টেন আমেরিকার মতে লুক কেজ একজন বেটা লেভেলের থ্রেট।

*যোগ্যতা-

দক্ষ কমব্যাট- খালিহাতে আক্রমণের প্রশিক্ষণ লুক স্বয়ং আয়রন ফিস্ট থেকে পেয়েছে। এছাড়াও অ্যাভেঞ্জার্সে থাকার সময় সে নিজের ফাইটিং স্কিলের অনেক উন্নতি ঘটায়।

শিক্ষা- লুক শিক্ষাগত দিক থেকে অনেক উপরে। আর এর পুরোটাই সে পেয়েছে রবীন্দ্রনাথের মতো স্কুলে না গিয়ে ঘরে বসে। সে একজন বহুভাষী

বক্তা- লুক কেজ স্পষ্টভাষী এবং শক্তিমান একজন বক্তা। সে তয়ার ইতিবাচক এবং সত্যবাদী বক্তব্যের জন্য অনেক বিখ্যাত। তার এই গুণ সুপারহিরোদের মধ্যে তাকে এনে দিয়েছে প্রচুর সম্মান এবং বেশ ভালো বন্ধুবান্ধব।

এছাড়া অ্যাথলেটিক্সে তার অনেক দক্ষতা রয়েছে।

★দুর্বলতা-

শক্তিশালী পেশি- তার দেহ প্রচণ্ড শক্ত হওয়ায় যদি বড় রকমের কোন আঘাত যদি সে পায় যেটার সারাতে হলে অপারেশন করতে হবে তাহলে সেটা তার প্রচুর ক্ষতি করে। কারণ সাধারণ অপারেশনাল যন্ত্রপাতি দিয়ে তার অস্ত্রোপচার করা একরকম অসম্ভব। তাই টাইটেনিয়াম থেকে উচ্চমানের ধাতু দিয়ে তৈরী অস্ত্রের কাছে সে দুর্বল।

তেজস্ক্রিয়তা- তেজস্ক্রিয়তা লুকের মস্তিষ্কে প্রচুর ক্ষতিসাধন করতে সক্ষম। তবে এটা সাধারণত শরীরে জখম না থাকলে হয় না।

★একনজর-

নাম- জন লুকাস
লুক কেজ
পরিচিতি- মার্ক লুকাস
পাওয়ারম্যান
হিরো ফর হায়ার
পাওয়ার ফিস্ট
ব্ল্যাক অ্যাভেঞ্জার
আত্মীয়- জেমস লুকাস (পিতা)
এস্থার লুকাস (মাতা)
জেমস লুকাস জুনিয়র (মৃত ছোটভাই)
জেসিকা জোন্স (স্ত্রী)
ড্যানিয়েলা কেজ (কন্যাসন্তান)
ডেভ ক্যামবেল (শ্বশুর)
ফিলিপ ক্যামবেল (মৃত শ্যালক)
সংযুক্তি- ডিফেন্ডার্স
দ্য ক্রু
মাইটি অ্যাভেঞ্জার্স
অ্যাক্সিস
নিউ অ্যাভেঞ্জার্স
থান্ডারবোল্টস
দ্য ডার্ক অ্যাভেঞ্জার্স
ফ্যান্টাস্টিক ফোর
মার্ভেল নাইটস
সিক্রেট অ্যাভেঞ্জার্স
কর্টেক্স ইনকর্পোরেটেড
সিক্রেট ডিফেন্ডার্স
ফিউচার আয়রনম্যান টিম
বেজ- জেম থিয়েটার
হার্লেম, নিউইয়র্ক
লুক কেজ’স বার
অ্যাভেঞ্জার্স ম্যানশন

নাগরিকত্ব- আমেরিকান
বৈবাহিক অবস্থা- বিবাহিত
পেশা- রোমাঞ্চযাত্রী
ভাড়াটে হিরো
বডিগার্ড
মার্সেনারী
সাবেক মঞ্চমালিক

লিংগ- পুরুষ
উচ্চতা- ৬ ফুট ৬ ইঞ্চি
চোখ- বাদামী
চুল- টাকলার আবার চুলের কালার!

★টিভিয়া-

*লুক কেজ কমিক হিস্টোরির সর্বপ্রথম কালো সুপারহিরো যার নিজস্ব কমিক ইস্যু প্রকাশ হয়েছে। এমনকি প্রথম কালো সুপারহিরো হিসেবে নিজস্ব টিভিসিরিজও লুক কেজের।

*ঘোস্ট রাইডার এবং সুপারম্যান চরিত্রের জন্য বিখ্যাত অভিনেতা নিকোলাস কেজের আসল নাম নিকোলাস কাপোলা। তার আংকেল হলিউড ইতিহাসের অন্যতম শ্রেষ্ঠ পরিচালক ফ্রান্সিস ফোর্ড কাপোলার সাথে সম্পর্কের খোঁজ না রাখার জন্য সে নিজের বংশিয় নাম পরিবর্তন করেন। পরবর্তিকালে তাকে এব্যাপারে জিজ্ঞেস করলে তিনি এই লুক কেজ থেকে নিজের নামের আইডিয়া পেয়েছেন বলে জানান।

*’কালোদূষণ’ মার্কা সিনেমা যেমন শ্যাফট বা ব্যাডঅ্যাস এর জবাব হিসেবে মার্ভেল কমিক্স লুক কেজের সৃষ্টি করে।

*এপর্যন্ত তিনটি লাইভ অ্যাকশন টিভিসিরিজে লুক কেজ দেখা গিয়েছে। ‘জেসিকা জোন্স’, ‘লুক কেজ’ এবং ‘ডিফেন্ডার্স’ সিরিজে এই চরিত্রে অভিনয় করেন মাইক কোল্টার।

*এর আগে কুয়েন্টিন ট্যারান্টিনোকে পরিচালক ও লরেন্স ফিশবার্নকে মূল চরিত্রে নিয়ে একটি সলো লুক কেজ সিনেমা তৈরী করার কথা ছিলো। কিন্তু প্রায় একদশক ডেভলোপমেন্টে পার করার পরও সেই পরিকল্পনা আর আলোর মুখ দেখেনি।

*লুক কেজ একবার তার ট্রাককে কাধে করে সাতটি ব্লক পার হয়ে বাসায় এসেছিলো। কারণ তার ট্রাক স্টার্ট হচ্ছিলো না।

*জখম করত না পারলেও বুলেটকে লুক পছন্দ করেনা। তার মতে এটি ‘ব্যথা’ দেয়।

*জোনাহ জেমসন লুককে ভাড়া করে স্পাইডারম্যানের পরিচয় জেনে তাকে তুলে নিয়ে আসতে। কিন্তু লুক স্পাইডির পরিচয় জানতে পারলে সে জোনাহের টাকা ফেরত দিয়ে দেয়।

*২০০ ডলারের বিনিময়ে ডক্টর ডুম তাকে ভাড়া করে ফ্যান্টাস্টিক ফোরের ব্যাক্সটার বিল্ডিং থেকে একটা পোগো শিপ আনতে। কিন্তু কোন কারণে ডুম টাকা দিতে না পারায় সে লাটভেরিয়ায় আক্রমণ চালায়।

*তার হলুদ কস্টিউম বিখ্যাত মুভি পাল্প ফিকশনের মার্সেলাস ওয়ালেসের কস্টিউম অনুকরণ করে তৈরী।

*লুক কেজ এবং আয়রন ফিস্টের নিজস্ব কমিক সিরিজ দারুণভাবে ফ্লপ করে। দুটোই ক্যান্সেল করে মার্ভেল কর্তৃপক্ষ তাদের যৌথ সিরিজ চালু করলে সেটা প্রায় ১১ বছর আর ১২৫ টি ইস্যু ধরে চলমান থাকে। আয়রন ফিস্টের মৃত্যু না হলে হয়ত সিরিজটি আরও চলতো।

ওরিজিনে কোনো ভুল ত্রুটি থাকলে, কমেন্ট করুন।
কোনো বিষয় না বুঝলে, কমেন্ট করুন।

– ধন্যবাদ।

সুপারহিরো অরিজিন : Luke Cage Superhero Origin : Luke Cage ★প্রকাশনা- মার্ভেল ইউনিভার্সের জনপ্রিয় চরিত্র লুক কেজের কমিকবুক অভিষেক ঘটে লেখক আর্চি গোল্ডউইন, জন রোমিটা সিনিয়র এবং জন তুসকার হাত ধরে; ১৯৭২ এর জুন মাসে প্রকাশিত হিরো ফর হায়ার #১ কমিকে। ★অরিজিন- লুক কেজের প্রকৃত নাম হচ্ছে জন লুকাস। তার জন্ম ও বড় হওয়া নিউইয়র্ক এর হার্লেম শহরের রাস্তায়। তার বাবা জেমস লুলাস একজন অবসরপ্রাপ্ত নিউইয়র্ক পুলিশ ডিপার্টমেন্ট অফিসার আর মা এস্থার লুকাস একজন গৃহিণী। জনের বড় হওয়াটা খুব একটা মসৃণ ছিলোনা। সে টিনেজে থাকতে তার বেস্টফ্রেন্ড ইউলিস স্ট্রাইকারের সাথে দ্য রাইভালস নামে একটা মাস্তানদলে যোগদান করে যারা তাদের সারাদিন…

Review Overview

User Rating: Be the first one !
0
Do you like this post?
  • Fascinated
  • Happy
  • Sad
  • Angry
  • Bored
  • Afraid

About Admin