Saturday , 21 April 2018
Breaking News
Home » সুপারহিরো অরিজিন » Captain America মার্ভেল ইউনিভার্সের অন্যতম আইকনিক কমিক ক্যারেকটার

Captain America মার্ভেল ইউনিভার্সের অন্যতম আইকনিক কমিক ক্যারেকটার

Captain America মার্ভেল ইউনিভার্সের অন্যতম আইকনিক কমিক ক্যারেকটার

1

“We must all live in the real world. And sometimes that world can be pretty grim. But it is the American Dream. The hope… that makes the reality worth living. In the early 1940’s, I made a personal pledge to uphold the Dream… And as long as the Dream remains even partially unfulfilled, I can not abandon it!”

চলুন কথা বলি মার্ভেল ইউনিভার্সের অন্যতম আইকনিক কমিক ক্যারেকটার Steve Rogers AKA Captain America’কে নিয়ে।

১৯৪১ সালের মার্চে “Captain America Comics #1” এর মাধ্যমে কমিক ইউনিভার্সে আবির্ভাব ঘটে স্টিভ রজার্সের। অবশ্য সেসময় মার্ভেল কমিকসের নাম ছিলো Timely Comics. এ চরিত্রের স্রষ্টা Jack Kirby এবং Joe Simon. দেশপ্রেমিক সুপার সোলজার Captain America দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন সময়ে তুমুল জনপ্রিয়তা লাভ করে। ১৯৫০ সালে এই সিরিজ বন্ধ হয়ে যায়, যদিও ১৯৫৩-তে কিছুদিনের জন্য এই সিরিজের পুনরাগমন ঘটে। এরপর ১৯৬৪ থেকে এখন পর্যন্ত ক্যাপ্টেন আমেরিকা মার্ভেলের একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্যারেকটার হিসেবে কমিক ভক্তদের এন্টারটেইন করে আসছে।

d

Captain America অরিজিন:

১৯২০ সালের ৪ জুলাই আইরিশ অভিবাসী দম্পতি Sarah and Joseph Rogers এর ঘরে জন্ম নেয় Steven Grant Rogers. স্টিভের জন্মের কয়েকবছর পর তার ছোট ভাইয়ের জন্ম হয়। তবে সে অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং জন্মের কিছুদিনের মধ্যেই মারা যায়। এ ঘটনার পর জোসেফ মদ্যপায়ী হয়ে পড়ে; মদ্যপ অবস্থায় ঘরে ফিরে স্টিভ ও তার মা সারাহ’র ওপর অত্যাচার করতো।

১৯২৬ সালে মাতাল অবস্থায় রাস্তার মাঝখানে জোসেফ সারাহ’কে আক্রমণ করে। এসময় Elisa Sinclair নামের এক মহিলা তার এক্সেপশনাল ফাইটিং স্কিলের সাহায্যে সারাহ’কে রক্ষা করে। কিছুক্ষণ পর স্টিভকে জানানো হয় তার বাবা হার্ট অ্যাটাকে মারা গেছেন। তবে, সত্যিটা হচ্ছে- Elisa ছিল H.Y.D.R.A.’র এক এজেন্ট এবং সে জোসেফ’কে Manhattan Bridge থেকে ধাক্কা দিয়ে East River এ ফেলে দেয়।

৪০ এর দশকে স্টিভ Fine Arts নিয়ে পড়াশোনা শুরু করে। সে Art Of The Future কনটেস্টে গোল্ড মেডেলও পায়। কিন্তু এসময় তার মায়ের নিউমোনিয়া দেখা দেয় এবং তিনি কিছুদিন মধ্যেই মারা যান। এরপর বাধ্য হয়ে স্টিভ ডেলিভারি বয় হিসেবে কাজ শুরু করে।

d

Becoming America’s Super Soldier-

নিজের বোরিং জীবনের অবসর সময়ে স্টিভ সিনেমা দেখতে খুব ভালোবাসতো। ১৯৪০ সালের শরতের সময় সিনেমা হলের নিউজরিলে জার্মান নাৎসি বাহিনীর ইউরোপ আক্রমণের কিছু ক্লিপ দেখে তার মাঝে একধরণের বীতশ্রদ্ধার উদ্রেক হয় এবং সে সিদ্ধান্ত নেয় আমারিকান মিলিটারিতে যোগ দিয়ে আমেরিকা’কে সম্ভাব্য নাৎসি হামলা থেকে রক্ষা করার।

মিলিটারিতে যোগ দেওয়ার জন্য স্টিভ বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী কাজে অংশ নিতে শুরু করে। কিন্তু, তার দূর্বল অথর্ব শারীরিক অবস্থার কারণে 4-F ধারায় বাদ পড়ে যায়। কিন্তু সে হাল ছেড়ে না দিয়ে বারবার চেষ্টা করতে থাকে। একসময় স্টিভের জেদ এবং একনিষ্ঠতা জেনারেল Chester Phillips এর নজরে পড়ে। তিনি স্টিভকে সাহায্য করতে এগিয়ে আসেন এবং মিলিটারিতে সুযোগ দিয়ে রিক্রুট করেন।

স্টিভ রজার্সকে রিক্রুট করা হয় মূলত Operation Rebirth নামের এক সিক্রেট মিলিটারি প্রজেক্টের জন্য, যার উদ্দেশ্য ছিলো এক নতুন ধরণের সুপার সোলজার তৈরী। এখানে স্টিভের সাথে পরিচয় হয় এই প্রজেক্টের প্রধান Abraham Erskine এর সাথে।

১৯৪০ এর শীতে এই প্রজেক্টের চুড়ান্ত প্রস্তুতি সম্পূর্ণ হয় এবং স্টিভকে প্রজেক্ট বেজ-এ নিয়ে আসা হয়। স্টিভের শরীরে Erskine এর ফর্মুলা ইনজেক্ট করিয়ে Vita Ray-তে স্নান করানো হয়। এর ফলে স্টিভ Peak of Human Perfection এ পৌছে যায়। তবে এসময় হাইড্রা এজেন্ট Heinz Kruger বেজে অনুপ্রবেশ করে এবং তার ছোঁড়া গুলিতে Erskine মারা যায়। তবে কিছুসময় পরেই ক্রুগারকে স্টিভ মেরে ফেলে। Erskine এর ফর্মুলার অন্য কোনো কপি সম্পূর্ণ না হওয়ায় রজার্সই ছিলো একমাত্র পারফেক্ট সুপার সোলজার। অবশ্য জার্মান বাহিনী বিভিন্ন ভাবে রজার্সের ডিএনএ স্যাম্পল সংগ্রহের চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হয়।

স্টিভ রজার্সকে কর্ণেল Rex Applegate এবং William Essart Fairbairn হ্যান্ড টু হ্যান্ড কমব্যাট, জিমন্যাস্টিকস, ওয়েপন ও আর্টিলারি এবং মিলিটারি ট্যাকটিক্স এর ওপর ট্রেইন করেন। এসময় জেনারেল ফিলিপস রজার্সের কোনো এক পূর্বপুরুষের জার্নাল খুঁজে বের করেন। জার্নাল থেকে জানা যায়, তিনি American Revolution এর ওয়ার হিরো ছিলেন এবং Captain America ছদ্মনামে বিভিন্ন মিশন পরিচালনা করতেন। তিনি স্টিভকেও তার পূর্বপুরুষের ছদ্ম পরিচয় প্রদানের সিদ্ধান্ত নেন।

প্রায় তিনমাসের ইনটেনসিভ ট্রেইনিংয়ের পর ১৯৪১ সালের মার্চে স্টিভকে তার প্রথম মিশন দেওয়া হয়, Red Skull AKA Johann Schmidt কে আটক করার।

z

The Man out of Time-

১৯৪৫ সালের ১৮ এপ্রিল স্টিভ রজার্স ও তার সাইডকিক James Buchanan Barnes AKA Bucky একটি বিস্ফোরক-বাহী ড্রোন, Launched by Baron Zemo, থামানোর চেষ্টা চালাচ্ছিলো। একসময় ড্রোনটি বিস্ফোরিত হয় এবং স্টিভ ও Bucky দুজনেই ছিটকে English Channel-এ পড়ে যায়। বেশ কিছুদিন খোঁজ করার পরও হদিস না মেলায় তাদের মৃত ঘোষণা করা হয়।

সুপার সোলজার সিরামের কারণে স্টিভের শরীর বরফে জমে গিয়ে একধরণের সাসপেন্ডের অ্যানিমেশনে (Sort of like a Comatose) চলে যায়।

বেশ কয়েক যুগ পর, Namor স্টিভের জমে যাওয়া শরীরের দেখা পায়। সে রেগে গিয়ে স্টিভের শরীরসহ বরফ খন্ডটি সাগরে ভাসিয়ে দেয়। কারণ, কিছু দ্বীপবাসী বরফখন্ডটিকে উপাসনা করছিলো, যা দেখে Namor ঈর্ষান্বিত হয়ে পড়ে। তবে কিছুদিন পরেই নবসংঘটিত Avengers স্টিভকে উদ্ধার করে পূনর্জীবিত করে। অ্যাভেঞ্জারস এর অন্যান্য মেম্বারদের সহায়তায় স্টিভ এই নতুন যুগে ধীরে ধীরে অভ্যস্ত হতে শুরু করে।

অ্যাভেঞ্জারস-এ যোগ দিয়ে স্টিভ তার কমব্যাট এক্সপেরিয়েন্স, স্কিল ইত্যাদি অন্যদের সাথে শেয়ার করে। পরবর্তীতে স্টিভ নতুন রিক্রুটেড অ্যাভেঞ্জারদেরও ট্রেইন করে। এছাড়াও ইন্টেলিজেন্স, এক্সপেরিয়েন্স, কনফিডেন্স, মিলিটারি স্ট্র‍্যাটেজির কারণে অ্যাভেঞ্জারস এর লিডার অন্য কেউ থাকলেও স্টিভকেই বিভিন্ন ব্যাটলের সময় ট্যাকটিক্স তৈরীর দায়িত্ব দেওয়া হয়।

Powers and Abilities-

মার্ভেল ইউনিভার্সের অন্যতম শ্রেষ্ঠ হিরো স্টিভ রজার্স শরীরে Super Soldier Serum (SSS) থাকার কারণে হিউম্যান পটেনশিয়ালের শিখরে পৌছে গেছেন। এছাড়াও এক্সপেরিয়েন্স, ধৈর্য, জেদ, কনফিডেন্স এর কারণে তাকে বিভিন্ন সময়ে “The Perfect Man”, “The Next Step in Human Evolution” উপাধি দেওয়া হয়। নিচে স্টিভ রজার্সের স্পেশালিটিগুলো উল্লেখ করা হলো-

1. Artificiality Enhanced Physiology
2. Enhanced Strength, Speed, Durability, Agility, Reflex, Stamina, Mental Processing, Senses.
3. Advanced Healing Factors
4. Immunities form almost all dieseases.

5. Master Strategist and Tactician
6. Advanced Military Operator
7. Highly skilled in Hand to Hand battle
8. Expert Marksman
9. Expert Acrobat
10. Multilingual
11. Expert Sketch Artist

Weapons and Equipment-

1. Captain America’s uniform (Shock, Water, Fire, Sharp metal and Semi-Bulletproof)
2. Utility Belt (First Aid kits, Grenades, Lockpicks etc)
3. Shield, made of Adamantium and Vibranium.
4. Exoskeleton, Designed by Tony Stark and Hank Pymm.

Trivia-

1. স্টিভ রজার্স Mjolnir ব্যবহারের যোগ্য।

2. স্টিভ রজার্সের কাছে স্টার্ক & ব্ল্যাক প্যান্থারের টেকনোলোজি ব্যবহারের অনুমতি রয়েছে।

3. স্টিভ রজার্সের যেকোনো সময়ে পেন্টাগনে ঢোকার Paladin-Plus ক্লিয়ারেন্স আছে।

4. JLA/Avengers ক্রসওভারে Batman স্বীকার করে, With enough Preparation, স্টিভ রজার্স তাকে হারাতে পারবে। (Stop right there! Batman is no god!)

5. দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের বিভিন্ন সময়ে স্টিভ Namor, Wolverine, Human Torch (Android)-দের হয়ে বিভিন্ন মিশনে অংশ নেয়।

6. SSS এর অন্য কোনো কপি না থাকায় বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন বিজ্ঞানী এই ফর্মুলাটি রিক্রিয়েট করতে বিভিন্ন সিক্রেট গবেষণা চালায়। এখান থেকেই পরবর্তীতে Wolverine, Luke Cage, Hulk সহ আরো বেশকিছু সুপারহিউম্যানের সৃষ্টি।

7. Steve Rogers is one of the few people that Deadpool truly respects. কারণ, স্টিভ রজার্স ছোটবেলায় ওয়েড উইলসনের ফেভারিট হিরো ছিলো। এছাড়াও, দুজনেই এক্সপেরিমেন্ট এর শিকার হওয়ার স্টিভ রজার্স সহমর্মি হয়ে ডেডপুলকে পছন্দ করে।

8. Captain America : Steve Rogers #2 ইস্যুতে দেখানো হয় স্টিভ রজার্স আসলে এক হাইড্রা এজেন্ট ছিলো। In reality, রেড স্কাল Cosmic Cube এর ম্যাজিক ব্যবহার করে স্টিভ রজার্সের রিয়েলিটি চেঞ্জ করে দেয়।

9. এখন পর্যন্ত ১১জন, Excluding Steve Rogers, ক্যাপ্টেন আমেরিকা পরিচয় ধারণ করে।

10. দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে স্টিভ রজার্সের থিমসং ছিলো- “When Captain America throws his mighty shield, Those who oppose his shield must yield, For he’ll fight till the red the white and the blue will come through, When Captain America throws his mighty shield!”

11. Captain America রোলে ক্রিস ইভানস প্রথমে রাজী হয়ে চাননি, কারণ কন্ট্রাক্ট পিরিয়ড অনেক বড় ছিলো। তাকে মার্ভেলের প্রেসিডেন্ট এবং রবার্ট ডাউনি জুনিয়র পার্সোনালি ফোনকল করে রাজী করান।

12. বিভিন্ন মুভিতে এই রোলের বেশকিছু ডায়লগ ক্রিস ইভানস নিজে লিখেছেন।

– ধন্যবাদ।

Captain America মার্ভেল ইউনিভার্সের অন্যতম আইকনিক কমিক ক্যারেকটার "We must all live in the real world. And sometimes that world can be pretty grim. But it is the American Dream. The hope... that makes the reality worth living. In the early 1940's, I made a personal pledge to uphold the Dream... And as long as the Dream remains even partially unfulfilled, I can not abandon it!" চলুন কথা বলি মার্ভেল ইউনিভার্সের অন্যতম আইকনিক কমিক ক্যারেকটার Steve Rogers AKA Captain America'কে নিয়ে। ১৯৪১ সালের মার্চে "Captain America Comics #1" এর মাধ্যমে কমিক ইউনিভার্সে আবির্ভাব ঘটে স্টিভ রজার্সের। অবশ্য সেসময় মার্ভেল কমিকসের…

Review Overview

User Rating: 4.9 ( 1 votes)
0
Do you like this post?
  • Fascinated
  • Happy
  • Sad
  • Angry
  • Bored
  • Afraid