Sunday , 22 April 2018
Breaking News
Home » হলিউড মুভি রিভিউ » The Life of Others (2006) নাম দেখেই বুঝা যায় যে অন্য মানুষের জীবন নিয়ে মুভিটা আসলেই তাই তবে…

The Life of Others (2006) নাম দেখেই বুঝা যায় যে অন্য মানুষের জীবন নিয়ে মুভিটা আসলেই তাই তবে…

The Life of Others (2006) নাম দেখেই বুঝা যায় যে অন্য মানুষের জীবন নিয়ে মুভিটা আসলেই তাই তবে এই অন্য মানুষের বাড়িতে যদি গোপন ক্যামেরা, অডিও রেকর্ড রেখে দূর থেকে গতিবিধি ও প্রতিটা পদক্ষেপ দেখা হয় তাহলে তা হয়ে যায় Stalking. আর এই Stalking আমাদের এমন একটা থ্রিলার মুভি উপহার দিবে যা দেখার পর আপনার দেখা সেরা মুভি লিষ্টে স্থান পাবে। কত থ্রিলার মুভি দেখলাম যেমন Identity, Sev3n, Zodiac etc কিন্তু এই মুভিটা আমার কাছে বেষ্ট অফ দেম অল। অসাধারণ এই গল্প আর চিত্রনাট্য মুভিটা ইতিমধ্যে জিতে নিয়েছে বেষ্ট বিদেশী মুভি অস্কার ২০০৬ সালে । আরো জিতেছে ৭৫ টি পুরষ্কার ও ৩৪ টি নমিনেশন, দেখতেই তো পাচ্ছেন পুরষ্কার এর ঝুলি কত ভারী। আমি দেখার পর আফসোস করেছি আরো আগে দেখলাম না কেন।
Kai Po Che

 

 

 

 

 

 

 

 

The Life of Others মুভি ইনফোঃ

The Life of Others (2006)
Movie : The Life of Others
IMDb Rating : 8.5
Rotten Tomatoes : 86%

The Life of Others রিভিউঃ

Dreyman (Sebastian Koch) একজন লেখক। তার বন্ধু Jersk যে একজন ডিরেক্টর তারা নাটক পরিবেশন করে থিয়েটারে। নাটকের মূল চরিত্রে থাকে Christa (Dreyman এর গার্লফ্রেন্ড)। সরকার দলের মিনিষ্টার নাটক দেখতে আসে, মিনিষ্টাররাই আসলে ঠিক করে কার নাটক চলবে ডিরেক্টর কে হবে এসব। Dreyman এর বন্ধু jersk কে ব্যান করা হয় নাটক থেকে মিনিষ্টার এর সাথে Dreyman এর ৪০ তম জন্মদিন পার্টিতে এই বিষয়ে কথা বলা হয় কিন্তু সুরাহা হয় না। সেদিন পার্টিতে jersk একটা গিফট আনে Dreyman এর জন্য Sonata of a good man নামের মিউজিক এরপর কিছুদিন পর jersk সুইসাইড করে এরপর দৃশ্যপট পালটে যেতে থাকে।

lieutenant colonel Grubitz (Dreyman এর বাল্যকালের বন্ধু) এর সহায়তায় Wiesler (East German Secret police, যে চরিত্রটি মুভিটার প্রধান আকর্ষণ) Dreyman এর বাড়িতে গোপনে অডিও, ক্যামেরা সব ফিট করে আসে আর পর্যবেক্ষণ করে ২ জন মিলে নাইট/ডে শিফটে আর এই মিশনের নাম Lazlo (হাঙ্গেরিয়ান ভাষা যা সুইসাইড সম্পর্কিত পরিসংখ্যান বুঝায়) অপারেশন। wiesler পর্যবেক্ষণ করতে করতে আর সব তথ্য নোট করতে করতে তাদের জীবনের (Dreyman & Christa) একটা অংশ হয়ে যায়।

কিন্তু সমস্যাটা বাদে Dreyman এর নতুন একটা নাটক লিখে যাতে উঠে আসে জার্মানির চাঞ্চল্যকর সুইসাইডের তথ্য এ সংখ্যা অত্যাধিক (সর্বোচ্চ হাঙ্গেরী এর পর তাদের অবস্থান) যে পরিসংখ্যান সরকার ১৯৭৭ এর পর থেকে বন্ধ করে দিয়েছে। এই তথ্য ফাঁস হলে সবকিছুই বদলে যাবে, সরকারের ১২ টা বাজবে।
বার্লিন প্রাচীর ভাঙার পূর্বেকার গল্প নিয়ে মুভিটা।

মুভিটার ইন্ডিংটা এক কথায় আমাকে মুগ্ধ করেছে।

#মাই রেটিং: ১০/১০

হ্যাপি ওয়াচিং✌

মুভি রিভিউ লিখেছেনঃ Rayhan Ahmed

Do you like this post?
  • Fascinated
  • Happy
  • Sad
  • Angry
  • Bored
  • Afraid

About Admin