সুপারহিরো অরিজিন : Jessica Jones

1

Superhero Origin : Jessica Jones

You shoot that gun at me, I will pull that bullet out of my ruined four hundred dollar leather jacket… and I will shove it up your ass with my pinky finger. And which one of us do you think that will hurt more?

-Jessica Jones

★প্রকাশনা

মার্ভেল ইউনিভার্সের জনপ্রিয় চরিত্র জেসিকা ক্যামবেল জোন্স কেজের কমিকবুক অভিষেক হয় ১৯৬৩ এর সেপ্টেম্বর মাসে প্রকাশিত ‘অ্যামেজিং স্পাইডাম্যন #৪’ কমিকে। চরিত্রটির স্রষ্টা ছিলেন স্ট্যান লি, স্টিভ ডিটকো, ব্রায়ান মাইকেল বেন্ডিস, মাইকেল গেইডস।

★অরিজিন

*প্রথম জীবন- জেসিকা ক্যামবেলের জন্ম নিউইয়র্ক এর কুইন্সের ফরেস্ট হীলসে। পিটার পার্কারের সাথে সে শহরের মিডটাউন স্কুলে একইসাথে পড়াশুনা শুরু করে। জেসিকা পিটারকে পছন্দ করতো যেটা সে কখনও পিটারকে জানায়নি। সে পিটারকে নিউইয়র্কের হল অভ সাইন্সের সম্মেলনে এব্যাপারে বলতে যায়, কিন্তু পিটার সেখানে তেজস্ক্রিয় মাকড়শার কামড় খেয়ে সেখান থেকে তড়িঘড়ি করে চলে যেতে উদ্যত হয়। জেসিকা তাকে ফলো করে ভবনের বাইরে রাস্তায় চলে আসে। কিন্তু পিটারকে রাস্তায় হারিয়ে ফেলে জেসিকা একটা চলমান আণবিক ল্যাবসম্পন্ন ট্রাকের তলায় পড়তে নেয়। সেখানে একজন তাকে কোনক্রমে বাঁচালে সে সেখান থেকে পালিয়ে আসে।

সেরাতে জেসিকা নিজেকে আদিম সুখ দিতে হিউম্যান টর্চের ছবি হাতে তুলে নিলেও ছোটভাই ফিলিপের জন্য সেটা আর সম্ভব হয়না। কয়েকদিন পরে তার পুরো পরিবার ডিজনিল্যান্ডে ঘুরতে যায় যার টিকেট জেসিকার বাবা তার বস টনি স্টার্কের কাছ থেকে পেয়েছিলো।

*দুর্ঘটনা- ফেরার পথে জেসিকা তার ভাইয়ের সাথে ঝগড়া করতে থাকে। এসময় তাদের গাড়ি একটা সামরিক কনভয়ের সাথে অ্যাক্সিডেন্ট করে যেটায় ছিলো তেজস্ক্রিয় রাসায়নিক তরল। এতে তার পরিবারের সবাই নিহত হয় এবং সে কোমায় চলে যায়।

কয়েকমাস কোমায় থাকার পর জেসিকা যখন জেগে ওঠে তখন ফ্যান্টাস্টিক ফোর গ্যালাক্টাসের সাথে আক্রমণে ব্যস্ত, যেটায় প্রচুর পরিমাণে তেজস্ক্রিয়তা নির্গত হয়। এরপরে সে এক এতীমখানায় স্থানান্তরিত হয় আর সেখান থেকে তাকে অ্যালিসা জোন্স এবং তার স্বামী তাকে দত্তক নেয়। তখন থেকেই সে নিজের ভেতর অতিমানবিক ক্ষমতা অনুভব করতে থাকে।

*জোন্স- নতুন পরিবার পাওয়ার পিরে জেসিকা আবারও স্কুলে যাওয়া শুরু করে। এখানে তাকে অত্যাচার করা শুরু করে বিখ্যাত বুলী ফ্ল্যাশ থম্পসন। পিটার তার বন্ধু হওয়ার চেষ্টা করে, কারণ তারা দুজনেই ছিলো পরিবারহারা। কিন্তু মাইয়া মানুষের আদিম গুণসম্পন্ন জেসিকা তাকে ভুল বুঝে তার উপর রাগ ঝাড়তে শুরু করে। সে একবার দৌড়ে যাওয়ার সময় প্রথমবারের মতো বুঝতে পারে যে তার উড্ডয়নের ক্ষমতা আছে। আর নিজের এসব ক্ষমতার উপর তার যথাযথ নিয়ন্ত্রণ না থাকায় সে গিয়ে পড়ে আমেরিকার বিখ্যাত হাডসন নদীতে। থর তাকে সেখান থেকে উদ্ধার করে। এছাড়াও একবার সে উড়তে গিয়ে ডাকাতি করা অবস্থায় স্করপিয়নের উপর গিয়ে পড়ে। স্পাইডারম্যান এবং স্যান্ডম্যানের মধ্যকার এক ফাইট দেখার সময় সে বুঝতে পারে যে সে চাইলে তার ক্ষমতাগুলো ভালোকাজে ব্যবহার করতে পারে।

*জুয়েল- এরপর সে ‘জুয়েল’ নামে প্রায় চারবছর শহরে ভিজিল্যান্টি হয়ে কাজ করে। ডক্টর অক্টোপাসের সাথে ফাইট করার সময় মিস মার্ভেলের সাথে তার পরিচয় হয়, যার সাথে অনেকবার সম্মিলিত ভাবে সে ক্রাইম ফাইট করে। অ্যান্টম্যান, পাওয়ারম্যান এবং আয়রন ফিস্টের ক্যারিয়ারের প্রথমদিকে তাদের সাথে জেসিকা কাজ করে এবং নিজেদের সফলতা উদযাপন করার জন্য তারা ছবি তুলে রাখে। অ্যাভেঞ্জার্সের সাথেও তার কাজ করার অভিজ্ঞিতা আছে। তবে সেসময় অন্যান্য হিরোকে মিডিয়া যেভাবে প্রচার করতো জেসিকার বেলায় সেটা তেমন হতোনা। একবার একটা রেস্টুরেন্টে তার সাথে একটা হাতাহাতি ঘটে, যেটার ইন্ধনদাতা ছিলো যেবেদিয়াহ কিলগ্রেভ, যাকে পার্পলম্যান নামে ডাকা হয়।

★ক্ষমতা এবং যোগ্যতা-

*পাওয়ার গ্রীড-

ইন্টেলিজেন্স- ২/৫
স্ট্রেংথ- ৪/৫
স্পিড- ৩/৫
ড্যুরাবিলিটি- ৪/৫
এনার্জি প্রজেকশন- ১/৫
ফাইটিং স্কিল- ৩/৫

অতিমানবিক শক্তিমত্তা- তার প্রকৃত শক্তিমত্তা কখনও হিসাব করা হয়নি। তবে দেখা গিয়েছে যে জেসিকা কোনপ্রকার বিপত্তি ছাড়াই প্রায় দুইটন ওজনের পুলিশের গাড়ি অনায়াসে তুলে স্পাইডারওম্যানের সাথে আক্রমনরত পার্পলম্যানের দিকে ছুড়ে মেরেছে। সে তার ক্ষমতাগুলো প্রথম আবিষ্কার করার সময় একটা বিশাল বৃক্ষকে তুলে নিয়ে একটা ট্যাক্সিতে আছাড় মেরে সেটিকে দুরমুশ করে দিয়েছে। উড্ডয়নের সময় সে একবার অ্যাটলাসের নাক থেকে রক্ত ঝরিয়েছিলো তার ভরবেগ ব্যবহার করে।

ড্যুরাবিলিটি- একজন সাধারণ মানুষের তুলনায় জেসিকার দেহের টিস্যু বহুগুণে বেশি ক্ষত সারতে সক্ষম। কয়েকজন আততায়ীর বন্দুকের গুলি শুধুমাত্র তার জ্যাকেটের ক্ষতি করতে সক্ষম হতে পেরেছে। যদিও তার নিজের ভাষ্যমতে, সে বুলেটপ্রুফ কিনা এব্যাপারে সে নিশ্চিত নয়। আউলের একজন তাকে মারাত্মক ছুরিকাঘাত করার পরও তার খুব সামান্য ব্যান্ডেজ দিয়ে সেটা সেরে গিয়েছে। সে যেকোন মিউট্যান্টের ঘুষি সহ্য করে নিতে পারে। স্পাইডারওম্যানের ভেনম ব্লাস্টের সময় সে দূরে ছিটকে পড়ে অনেক ব্যথা পেলেও মুহূর্তেই সেটা রিকভার করে ফেলে।

উড্ডয়ন- জেসিকা জোন্সের উড্ডয়ন তার ক্ষমতার অন্যতম উদাহরণ। তার এপর্যন্ত শব্দের বেয়েও দ্রুত উড়ে চলার রেকর্ড আছে। তবে সে এসময় এয়ার সিকনেসে ভোগে যেটা তার জন্য বেশ কষ্টকর।

টেলিপ্যাথিক নিরোধন- পার্পলম্যানের সাথে হওয়া ঘটনার পর তার মানসিক সত্ত্বায় ডক্টর জীন গ্রে কিছু মাইন্ড ব্লক যুক্ত করে দেয়। এটা তার সত্ত্বাকে যেকোন সাইকিক আক্রমণ থেকে মুক্ত থাকতে সহায়তা করে।

*যোগ্যতা-

শৌখিন তদন্তকারী- জেসিকা একজন অভিজ্ঞা তদন্তকারী। সে ‘দ্য পালস’ পত্রিকায় কাজ করার সময় অনেকগুলো মামলা সমাধান করেছে। এছাড়াও তার অভিজ্ঞতার ঝুড়িতে রয়েছে সন্দেহভাজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা, প্রমাণ সংগ্রহ করা ইত্যাদি।

অস্ত্রহীন কমব্যাট- অ্যাভেঞ্জার্সে কাজ করার সময় সে হ্যান্ড টু হ্যান্ড কমব্যাটে অসামান্য দক্ষতা অর্জন করে।

★দুর্বলতা-

পোস্ট- ট্রমাটিক স্ট্রেস ডিজঅর্ডার- পার্পলম্যান তার মানসিক অবস্থার অনেক অবনতি ঘটায়। সে নিজেই বুঝতে পারেনা যে তার চিন্তাধারা কোনদিকে চলছে। ডক্টর জীন গ্রে কয়েকমাস সময় ব্যয় করে তাকে এসব থেকে মুক্ত করে।

মদাসক্তি- নিজের সমস্যাগুলো ভুলে থাকার জন্য জেসিকা প্রচুর পরিমাণে মদপান করে একসময়। যদিও তার মেয়ে জন্ম নেবার পর সে এটা ছেড়ে দেয়।

★একনজর-

নাম- জেসিকা ক্যামবেল জোন্স কেজ
পরিচিতি- নাইট্রেস
পাওয়ার ওম্যান
নাইট্রেস
ম্যাডেলিন
জুয়েল
আত্মীয়- ডেভিল ক্যামবেল (পিতা মৃত)
ফিলিপ ক্যামবেল (ভাই মৃত)
অ্যালিসা জোন্স (পালক মা)
লুক কেজ (স্বামী)
ড্যানিয়েলা কেজ (কন্যা)
জেমস লুকাস (শ্বশুর)
এস্থার লুকাস (শাশুড়ি)
জেমস লুকাস জুনিয়র (শ্যালক মৃত)
সংযুক্তি- ডিফেন্ডারর্স
মাইটি অ্যাভেঞ্জার্স
ডেইলি বিউগল
দ্য পালস
বেজ- ম্যানহাটন, কুইন্স, নিউইয়র্ক, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
অ্যাভেঞ্জার্স ম্যানশন, কানাডা

পরিচয়- পাবলিক
জন্মস্থান- ফরেস্ট হীলস, কুইন্স, নিউইয়র্ক, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
নাগরিকত্ব- আমেরিকান
বৈবাহিক অবস্থা- বিবাহিত
শিক্ষাগত যোগ্যতা- হাইস্কুল ডিপ্লোমা
পেশা- তদন্তকারী
সাংবাদিকতা

লিংগ- নারী
উচ্চতা- ৫ ফুট ৭ ইঞ্চি
ওজন- ১২৪ পাউন্ড (৫৭ কেজি)
চুল- বাদামী
চোখ- বাদামী

কমিকে প্রথম আগমন- সেপ্টেম্বর ০১, ১৯৬৩

★ট্রিভিয়া-

*জেসিকা জোন্স এবং লুক কেজের বিয়েপড়ানো যাজক ছিলেন লেখক স্ট্যান লি এর বিয়ের যাজকের রেফারেন্স।

*শোনা যায় মাইকেল বেন্ডিস প্রথমে স্পাইডারওম্যান জেসিকা ড্রিউকে এই চরিত্রে আনতে চেয়েছিলেন। কিন্তু মার্ভেল কর্তৃপক্ষ এটা প্রত্যাখ্যান করে সম্পূর্ণ নতুন নামের একজনকে আনতে বলে। যেটা শুনে বেন্ডিস সাহেব খুশি হননি।

*স্পাইডারম্যানের পরিচয় জানার সময় জেসিকা জানতে পারে, পিটারসহ স্কুলের সবাই তাকে কোমাগার্ল হিসেবে জানতো। আর স্পাইডি কখনও জেসিকার ভালোলাগার ব্যাপারে জানতে পারেনি।

*জেসিকার আমাদের সবার প্রিয় উলভারিনের সবচেয়ে প্রিয় যৌন কল্পনা।

*এপর্যন্ত দুটি লাইভ অ্যাকশন টিভিসিরিজে জেসিকা জোন্সকে দেখা গিয়েছে। ‘জেসিকা জোন্স’ এবং ‘ডিফেন্ডার্স’ সিরিজে এই চরিত্রে অভিনয় করেন ‘ব্রেকিং ব্যাড’ খ্যাত অভিনেত্রী ক্রিস্টেন রীটার।

ওরিজিনে কোনো ভুল ত্রুটি থাকলে, কমেন্ট করুন।
কোনো বিষয় না বুঝলে, কমেন্ট করুন।

– ধন্যবাদ।

[review]

TankiBazzসুপারহিরো অরিজিনJessica Jones,সুপারহিরো অরিজিন
সুপারহিরো অরিজিন : Jessica Jones Superhero Origin : Jessica Jones You shoot that gun at me, I will pull that bullet out of my ruined four hundred dollar leather jacket... and I will shove it up your ass with my pinky finger. And which one of us do you think that...