আমি এটাকে রেটিং দিবো না। আর এটাকে মুভি বলেও মে বি ভুল করলাম। কারন এটা একটি বাস্তব ঘটনা এবং নিজেদের ক্যামেরায় দরা পড়া ঘটনা। যেহেতু ইউটিউবেও আছে আর ১৪ মিলিয়ন ভিও কেউ দেখার বাকী আছে কিনা আমার জানা নেই। হতে পারে আমিই সবার শেষে দেখেছি। আর দেখার পর না লিখে থাকতে পারলাম না। যদি এটা নিয়া অনেক লেখালেখি বা সামাজিক সোসাইল মিডিয়া তোল পাড় হয়ে থাকে তাহলে তা আমার জানা নেই। তা ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।

6-5=2 (2013)

যেহেতু মুভি হিসেবেই আছে সেভাবেই বলি। ২০১০ সালে ৬টা ছেলে মেয়ে ট্র‍্যাকিং এ বের হয়। তাদের উদ্দেশ্য হল পাহাড়ারের চুড়ায় যাবে।সেখান থেকে প্রাকৃতিক সোন্দর্য্যের ভিডিও বা পিক তোলার জন্য। ধরা যায় তারা একটি ডকুমেন্টারি তৈরি করবে। তারা যা যা লাগে তা নিয়ে রওনা হয় ৪ টা ছেলে ২ টা মেয়ে। প্রথম দিন তারা একটা বাড়িতে কাটায় এবং পরের দিন সকালে রওনা হয়। প্রথম দিন টা ভালো ভাবেই কাটে রাত হলেই শুরু হয় যত ভৌতিক কাহিনি। তা বলে আমি মুভিটি দেখার ইমেজ নষ্ট করবো না।

যদি কেউ এখনো না দেখে থাকেন তাহলে হরর মুভি প্রেমিরা অনেক কিছু মিস করবেন। আপনি যা চাইবেন সব পাবেন। ফান,বন্ধুদের মধ্যকার ভালোবাসা,হরর,এবং কি ভারতের প্রাকৃতিক অপার সোন্দর্য্যের দৃশ্য। মুভিটি আপনাকে ঠিক যেভাবে হাসাবে ঠিক সেভাবে কান্না করাই ছাড়বে।

তবে মুভিটির দেখার একটা বিশেষ কারন বলে দিচ্ছি এটা কোন সুটিং স্পট বা নায়ক নায়িকাদের নিয়ে করা হয়নি। যেহেতু আগেই বলেছি একটা ডোকোমেন্টারি তারা তৈরি করতে চাচ্ছে,তাই তারা নিজেদের একটি ক্যামেরা নিয়ে যায়। আর ক্যামেরাতেই ধরা পরে এই ঘটনা গুলো। যা পুরোপুরি বাস্তব। মুভি প্রোডাকশ যাস্ট ভিডিওটার ইডেট করেছে। আর ভিডিওটা কিভাবে পেলো সেটাও মুভিটা দেখলেই বুজবেন।

আমি সাধারনত হরর মুভি দেখি না আজ এক ছোট ভাই বললো সেই সুবাদেই দেখা। আসলে না দেখলে অনেক কিছুই মিস করতাম। দ্যা কনজিউরিং টু দেখেও এতটা রোমাঞ্চিত হইনি যতটা এটা দেখে হয়েছি। লাইফের দেখা বেষ্ট হরর মুভি।

এবার যারা দেখেছেন তাদের কাছে আমার একটা প্রশ্ন এর সত্যতা আসলে কত টুকু? আমি কেনো জানি নিজের চোখ কে বিশ্বাস করতে পারছিলাম না মুভিটি দেখার সময়। অবশ্যই আপনার মুল্যবান মতামত টা দিবেন।

হ্যাপি ওয়াচিং✌

মুভি রিভিউ লিখেছেনঃ Mamun H Sifat

6-5=2 (2013) মুভিটি রাতে না দেখাই ভালো - মুভি রিভিউTankiBazzকান্নাড়া মুভি রিভিউ6-5=2 (2013)
আমি এটাকে রেটিং দিবো না। আর এটাকে মুভি বলেও মে বি ভুল করলাম। কারন এটা একটি বাস্তব ঘটনা এবং নিজেদের ক্যামেরায় দরা পড়া ঘটনা। যেহেতু ইউটিউবেও আছে আর ১৪ মিলিয়ন ভিও কেউ দেখার বাকী আছে কিনা আমার জানা নেই। হতে পারে আমিই সবার শেষে দেখেছি। আর দেখার পর না...