আম্মাজান (১৯৯৯) একটি মাস্টারপিস কালজয়ী বাংলা চলচ্চিত্র

Kai Po Che

আম্মাজান মুভি ইনফোঃ

চলচ্চিত্রঃ আম্মাজান ৷
জনরাঃ ফ্যামিলি ড্রামা, ট্র্যাজেডি, ক্রাইম ৷
পরিচালক: কাজী হায়াৎ
প্রযোজক: মনোয়ার হোসেন ডিপজল
রচয়িতা: কাজী হায়াৎ (সংলাপ)
চিত্রনাট্যকার: কাজী হায়াৎ
গল্পকার: ডিপজল
অভিনয়েঃ মান্না, মৌসুমি, আমিন খান, ডিপজল, শবনম, কাজী হায়াৎ প্রমূখ ৷
সুরকার: আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল
চিত্রগ্রাহক: হারুন আল রশিদ
সম্পাদক: আমজাদ হোসেন
পরিবেশক: অমি বনি কথাচিত্র
মুক্তি: ২৫ জুন ১৯৯৯
দৈর্ঘ্য: ১৪৫ মিনিট
দেশ: বাংলাদেশ
ভাষা: বাংলা

আম্মাজান মুভি রিভিউঃ

আম্মাজান একটি কালজয়ী বাংলা চলচ্চিত্র ৷ বাংলা চলচ্চিত্রের দৃষ্টিকোণে
এটাকে মাস্টারপিস সিনেমা বলায় যায় ৷ মাস্টারপিস বলাতে অনেকেই হয়তো ভ্রু কুচকিয়ে কিংবা হালকা উদ্ভট হাসি দিয়ে হা হা রিয়্যাক্ট অপশনে ক্লিক করবে এবং পোস্টে ভেসে উঠবে হা হা রিয়্যাক্টের ইমোটা ৷ কিন্তু যেটা সত্য সুন্দর বাস্তব সেটাই বললাম ৷
আম্মাজান এমন একটি চলচ্চিত্র যেই চলচ্চিত্রটির সবগুলো চরিত্রকে দর্শক বেমালুম ভুলে যেতে পারে কিন্তু মহানায়ক মান্নার চরিত্রটির কথা কেউ কখনো ভুলতে পারবেনা ৷
কিছু কিছু সিনেমা তৈরি হয় ইতিহাস গড়ার জন্য ৷ কিছু কিছু সিনেমা তৈরি হয় বিশেষ কোনো নায়ককে আজীবন বাঁচিয়ে রাখার জন্য ৷ কিছু কিছু সিনেমার জন্ম হয় বিশেষ নায়কের জন্যই ৷
আম্মাজান চলচ্চিত্রটি নায়ক মান্নার জন্যই তৈরি হয়েছে ৷ চলচ্চিত্রটি অন্য কারোর জন্য তৈরি হবার নয় বলেই সিনেমাটিতে প্রথমে যাকে কাস্ট করার চিন্তাভাবনা করা হয় সেই নায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন মুভিটি ফিরিয়ে দেয় এরপর সিনেমাটা যেই নায়ককে ভাগ্যের ফেরে চুজ করে রেখেছিল সেই নায়কই সিনেমাতে অভিনয়ের জন্য একবাক্যে রাজি হয়ে যায় ৷ দাঙ্গা,লাঠি,রুটি খ্যাত রানিং স্টার মান্না আম্মাজানে অভিনয় করে চলচ্চিত্রে নতুন ইতিহাস রচনা করেন ৷
কিছু গল্পের নির্দিষ্ট একটা চরিত্র থাকে যা শুধুমাত্র একজন অভিনেতার জন্য তৈরি হয় ৷
যেমন চার্লি চ্যাপলিনের মুভিগুলোর যে গল্প এবং গল্পে চার্লির যে সমস্ত চরিত্র সেই চরিত্রগুলোতে চার্লি চ্যাপলিন ব্যতীত অন্য কাউকে দিয়ে একদমই সম্ভব না ৷ যদি তার পরিবর্তে অন্য কাউকে দিয়ে মুভিগুলো করা হতো ঐরকম উপভোগ্য হতো কিনা সন্দেহ ৷ সিটি লাইটস, ভ্যাগাবন্ড, মডার্ন টাইমস, দ্য কিড, দ্য সার্কাস, দ্য আইডিয়াল ক্লাস, আ ডগজ লাইফ মুভিগুলোতে চার্লি চ্যাপলিন ছাড়া অন্য কেউ হলে মুভিগুলোর আসল মজাটাই হারিয়ে যেতো ৷
আবার, মার্ভেল কমিস ইউনিভার্সের সুপারহিরো মুভিগুলোর দিকে তাকান ৷ থর চরিত্রে Chris Hemsworth বাদে অন্য কাউকে কল্পনা করা যায়না ৷ আইরন ম্যান চরিত্রে Robert Downey Jr, Captain America চরিত্রে Chris Evans বাদে অন্য কাউকে দিয়ে অসম্ভব এবং চরিত্রগুলো শ্রীহীন লাগবে তাদের ছাড়া ৷

তেমনি আম্মাজান চরিত্রে মান্নার বিকল্প ভাবা যায়না ৷ আম্মাজান সিনেমাটা মান্নার জন্যই এবং মান্নাও আম্মাজান মুভিটার জন্য ৷ এই গল্পের মুভি নিয়ে যদি পুনরায় সিনেমা তৈরি হয় তাহলে মুভিটার ইজ্জত চলে যাবে ৷ কারণ আম্মাজান মুভির নায়ক মান্নার বাদশা চরিত্রে অন্য কাউকে কখনোই কল্পনা করা যায়না, কখনোই না ৷
আম্মাজান পুনরায় নির্মাণ করার চিন্তা ভাবনা মনে আনাটাই অন্যায় ৷
আম্মাজানের মহানায়ক জীবিত নেই কিন্তু আম্মাজান মুভিটা আজও বেঁচে আছে আজীবন বেঁচে থাকবে ৷ সুতরাং, পুনরায় আম্মাজান মুভি নির্মাণের কোনো কারণ নেই ৷
এবং যারা পুনরায় নির্মাণ করার জন্য চিন্তাভাবনা করছেন তাদের কে বলি এমন ভুল করবেন না ৷ অন্যায় হয়ে যাবে ৷

👇

সিনেমা ভাললাগাঃ বাংলাদেশের ফ্যামিলি ড্রামা ও ট্র্যাজেডি মুভিগুলোর মধ্যে আম্মাজান সবচেয়ে সেরা ৷
আমার নিকট সবচেয়ে প্রিয় বাংলাদেশী সিনেমা ৷ মহানায়ক মান্না এই একটি সিনেমার জন্যই আজীবন বেঁচে থাকবে ৷
যতবার সিনেমাটি দেখেছি ততবারই কেঁদেছি ৷ প্রত্যেকবার মুভিটা দেখতে গিয়ে মনে হয়েছে যে প্রথমবার বুঝি দেখছি মুভিটা ৷
যেই মুভি কখনো পুরাতন হয়না বারবারই নতুন মনে হয় সেই মুভির নাম আম্মাজান ৷ অসাধারণ গল্প এবং মহানায়ক মান্নার জীবনের সেরা অভিনয় গুনে অসাধারণ অসাধারণ এবং অসাধারণ একটি সিনেমা উপহার পেয়েছে দর্শক ৷ চলচ্চিত্রটি দেখে বারবার উপভোগ করেছি প্রাণভরে ৷

👇

অভিনয়ঃ নতুন করে মহানায়ক মান্নার অভিনয় নিয়ে কথা বলতে চাইনা ৷ সুপারন্যাচারাল অভিনয়ের উপরে যদি কিছু থেকে থাকে তার চেয়ে শতগুন বেটার অভিনয় করেছেন মহানায়ক মান্না এই মাস্টারপিস সিনেমা আম্মজানে ৷ মায়ের প্রতি সন্তানের প্রকৃতপক্ষে যেরুপ ভালবাসা দরকার সেটা আম্মাজান মুভির মান্নার চরিত্র দেখলেই স্পষ্ট হওয়া যায় ৷
মান্নার এমন মায়ের প্রতি পাগলকরা ভালবাসার চিত্র দেখে যেকোনো সন্তানের মন গলবে এবং মায়ের প্রতি ভাল ব্যবহার করার প্রতিশ্রুতি করবে ৷
আম্মাজান মুভিতে মান্নার অভিনয়ের সৌন্দর্য এটাই ৷ তার অভিনয় দেখে মনে হয়, “হুম মায়ের প্রতি এমনই করে ভালবাসা দেখানো উচিত” ৷ মাকে এমনই ভাবে শ্রদ্ধা করা উচিত এবং মায়ের সব আবদার সুযোগ সুবিধা মিটানো উচিত ৷ মায়ের সমস্ত কথা সঠিকভাবে মেনে চলা উচিত ৷ মায়ের যেকোনো আদেশ যথাযথভাবে মেনে চলতে যদি সন্তানের জীবনও দিতে হয় তারপরও সেই আদেশ পালন করতেই হবে ৷ আর এটা আম্মাজানের মান্নার চরিত্রে স্পষ্ট ৷
আম্মাজান মুভিতে মান্নার অভিনয় আমাকে বারবার ভাবায়, একজন অভিনেতা কিভাবে এতটা অসাধারণ করে অভিনয় করতে পারে! এটা ভাবতে গেলে বারবার নিজেকে হারিয়ে ফেলি ৷ এবং একসময় এটা ভেবে নিই যে হয়তো আম্মাজান মুভিতে অভিনয়ের সময় মান্না পরশপাথর পেয়েছিল এবং সে পরশপাথর হাতে স্পর্শ করে বলেছিল,”সে যেনো তার জীবনের সবচেয়ে সেরা অভিনয় দক্ষতা দেখাতে পারে আম্মাজান মুভিতে এবং তার অভিনয় দেখে যেনো সবাই মুগ্ধ হয়” ৷ এবং সেটাই হয়েছিল ৷

মৌসুমি ,আমিন খান, ডিপজল সকলেই তাদের সেরাটুকু দিয়েছেন ৷
তাদের অভিনয়েও ছিল সৌন্দর্যের ছাঁপ যার কারণে আম্মাজান আরো পরিপূর্ণতা পেয়েছে ৷
ভিলেন হিসেবে ডিপজল অনন্য ৷ এবং আম্মাজান চরিত্রে শবনম জাস্ট সুপার ৷ মান্নার আম্মাজানের চরিত্রে শবনমের বিকল্প আমি খুঁজে পাইনি ৷

👇
গানঃ একটা গান কখনো ভোলা যায়না ৷ একটা গান কখনোই পুরোনো হয়না ৷ একটা গান দেখে কখনোই বিতৃষ্ণা জাগেনা ৷৷ আর সেই গানটির প্রথম লাইন “আম্মাজান, চোখের মণি আম্মাজান,প্রাণের খনী আম্মাজান, আম্মাজান,আম্মাজান; বুকের ধ্বনি আম্মাজান, আম্মাজান, আম্মাজান”

এই গানটিতে মান্নার এক্সপ্রেশন সেরা সেরা এবং সেরা ৷ পুরো সিনেমাতে মান্নার অভিনয় ও এক্সপ্রেশন যেমন ১০০ তে ১০০ ছিল এই গানটিতে আমি ১০০ তে ১৫০ দিবো ৷
এই গানটা দেখলেই চোখের পানি ঝরঝর করে পরে ৷

👇

গল্পঃ অমানুষদের মস্তিস্ক এতটাই জঘন্য ও নিচু যে নিজেদের লোলুপ দৃষ্টি যেকোনো মেয়ে বা মহিলাদের দিকে পরে ৷ অন্যের কাজ সম্পন্ন করে দেবার বাহানায় অনেক অমানুষ নিজের স্বার্থসিদ্ধির পথটা খোলাসা করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করে ৷
নারীর পবিত্র দেহে অমানুষেরা হাত বাড়ায় পিশাচের মত ৷
একজন নারী পুরুষদের শক্তিতে না পারলেও পবিত্র মনের দিক দিয়ে তারা সবসময় এগিয়ে থাকে ৷ তাইতো যখন নিজেদের সম্ভ্রম হারিয়ে ফেলে কুকুরের নিকট তখন আর তার বেঁচে থাকার তেমন কিছু না থাকলেও পবিত্র মনটুকু জীবিত রয়ে যায় আপনজনের মায়ায় ৷ হয়তো কোনো কোনো নারী আপনজনের নিকট অবহেলিত হওয়ায় বেঁচে থাকার রাস্তা হারিয়ে ফেলে এবং নতুন একটি জগৎ তার সম্বল হিসেবে বেছে নেয় ৷ কিন্তু সম্ভ্রম হারানো কিছু নারী থাকে যারা নতুন জগতের চেয়ে বর্তমান জগতটাকেই বেশি ভালবাসে কারণ আপনজনের মায়া তখনো একই রকম থাকে ৷
আম্মাজান মুভিতে শবনম একজন মায়ের চরিত্র অভিনয় করেন ৷ যার নিজের দেহ বিসর্জন দিতে হয় পিশাচদের হাতে ৷ সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়ে সে দুনিয়া ছাড়তে পারেনা ৷ কিন্তু সন্তানের সামনাসামনি ঐ মুখ নিয়ে সে কিভাবে দাঁড়াবে এবং কেমনে সন্তানের সঙ্গে কথা
বলবে এইরকম নিয়তির বর্বরচিত নরকিয় সত্যের কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে সে সিদ্ধান্ত নেয় তার ছেলের সঙ্গে কখনোই কথা বলবেনা ৷
মায়ের পবিত্র দেহে কুকুর শেয়াল জানোয়ারদের নখের আচরে সন্তান হিংস্র মানব হয়ে ওঠে ৷ সে তার মায়ের সম্ভ্রমের প্রতিশোধ নেয় ৷
মায়ের মুখে যদি একটুর জন্যও সন্তান হাসি ফুটাতে পারে সেই আশায় সন্তান পিশাচদের কুপিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে ৷
কিন্তু তারপরও মায়ের মুখে হাসি নেই ৷ সন্তানের সঙ্গে একটাবারের জন্যও কথা বলেনা ৷
চলতে থাকে এভাবে অনেক বছর ৷
সন্তান বড় হয়ে ওঠে ৷
ছোট সেই বাদশা বড় হয়ে সমাজের আগাছা মুক্ত করার কাজে লেগে পরে ৷
তার মিশন সে দুনিয়ার বুক থেকে মানুষ নামে কুকুরের বাচ্চাদের নিশ্চিহ্ন করে দিবে ৷ তাইতো টিভির পর্দায় কিংবা পত্রিকায় যেখানে দেখে কেউ ধর্ষণ হয়েছে এবং তার সঠিক বিচার পাচ্ছেনা সেখানে সেই হিংস্র মানব হয়ে ওঠা বাদশা ছুটে যায় এবং ধর্ষককে খুঁজে কুপিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে ৷ ধর্ষিতানারীর মুখে একটুর জন্য হলেও হাসি ফুটায় ৷
দেশের আইন যেখানে ধর্ষকের জঘন্য অপরাধের শাস্তি দেয়না সেখানে হিংস্রমানব হয়ে ওঠা বাদশা আইনের ভয় না করে অপরাধের শাস্তি দেয় ৷
বাদশা তার মায়ের নিকট এসব অপরাধীদের নিজ হাতে শাস্তির কথা শুনিয়েও তার মায়ের মুখ থেকে বাদশা নামটা শুনতে পায়না ৷

বাদশা চেষ্টা করে যায় তার মা যেনো তার সাথে একটাবারের জন্য কথা বলে ৷ কিন্তু সেই দিনটি বাদশার জীবনে সহজে আসেনা ৷
বাদশার মা ফল খেতে চাইলে ফলের দোকানের সমস্ত ফল তার মায়ের জন্য নিয়ে আসে ৷ মা খুশি হয়েছে কিনা জানার চেষ্টা করলে তার মা তার সঙ্গে কথা না বলে অন্য জনকে কথার জবাব দেয় ৷
এভাবে আরো কিছুদিন চলতে থাকে ৷

মায়ের সমস্ত কথা এবং মায়ের ভাল যেখানে, যে কাজটা করলে মায়ের সুবিধা হয় সেই সমস্ত কাজ বাদশা যথাযথভাবে পালন করে ৷
একসময় বাদশা দেখে তার মায়ের চোখে একটা মেয়েকে ভাললেগে গেছে ৷ এবং তার মায়ের মুখ থেকে শুনতে পায় যে মেয়েটি যদি তার ছেলের বউ হতো ৷ এই কথা শুনতে পেয়ে বাদশা তার মায়ের আবদার মেটানোর চেষ্টায় মেতে ওঠে ৷
শুরু হয় বাদশা ও তার মায়ের পছন্দের মেয়ে রিনার পিছু ছোটা এবং রিনাকে নিজের ঘরের বউ হিসেবে আনার চেষ্টা করে ৷
রিনার বিয়ে ঠিক হয়েছে তার ভালবাসার মানুষটির সঙ্গে ৷ বাদশা এটা জানা সত্বেও কোনো তোয়াক্কা করেনা এবং তার কথা সে তার মায়ের আবদার যেকোনো মূল্যে মিটাবেই ৷ বাদশার পাগলামির আর শেষ হয়না ৷

তারপর চলতে থাকে নানান ঘটনা ৷
বাদশার মা ২২ বছর ধরে তার সঙ্গে কথা বলেনা ৷ ২২ বছর পর বাদশার মা বাদশার সঙ্গে কথা বলে ৷
সেইদিনই বাদশার জীবনের সবচেয়ে সুখের শ্রেষ্ঠ দিন বলে মনে হয় ৷
কিসের জন্য বাদশার মা তার ছেলের সঙ্গে কথা বলে ??? এটা সবাই জানেন যারা সিনেমাটি দেখেছেন ৷
ভুলে গিয়ে যদি থাকেন তাহলে আবারো দেখতে পারেন মাস্টারপিস সিনেমাটা ৷
যারা দেখেন নি তাদের জন্য এখনো আম্মাজান মুভিটি মনভরে কাঁদার অন্যতম উৎস হিসেবে রেডি আছে দেখে নিন ৷

মুভিটা দেখে যদি কেউ বলে আমি আম্মাজান দেখে কাঁদিনি সত্যি বলতে তার মনে মায়া মমতা এবং মায়ের প্রতি ভালবাসা নেই ৷ আম্মাজান দেখে কাঁদতেই হবে, হ্যাঁ কাঁদতেই হবে ৷
আমি যতবার দেখি ততোবারই কাঁদি ৷
বেশি কাঁদি তখন যখন বাদশা বলে, “ আম্মাজান আমার লগে কতা কইছে, আম্মাজান আমার লগে কতা কইছে” ৷আবার যখন বলে, “আম্মাজান আমার লগে ২২ বছর ধইরা কতা কয়না”
ডায়লগগুলো শুনলে আত্বা থরথর করে কাঁপে, বুকটা ঝাকি দিয়ে চোখের পানি নিমিষে গড়িয়ে পরে ৷
আম্মাজান এক অনন্য অসাধারণ সিনেমা ৷
আম্মাজানের বাদশা মহানায়ক মান্না এক অনবদ্য চরিত্র এবং প্রাণভরে কাঁদবার অন্যতম প্রতিকৃতি ৷

মহানায়ক মান্না আজ বেঁচে নেই কিন্তু তিনি বেঁচে আছে আমাদের অন্তরে ৷ তার অভিনীত আম্মাজানই তাকে বাঁচিয়ে রাখবে যুগের পর যুগ ৷
আম্মাজানের মান্না বাংলা চলচ্চিত্রে একবারই জন্মে ৷ তিনি অন্তত আমার হ্নদয়ে আজীবন বেঁচে থাকবে ৷
ভালবাসা সবসময়ের জন্য মহানায়ক মান্না ♥

👇
রেটিং: ১০/১০

ধন্যবাদ সবাইকে।

[review]

TankiBazzবাংলাদেশী মুভি রিভিউ1999,Ammajan,আম্মাজান
আম্মাজান (১৯৯৯) একটি মাস্টারপিস কালজয়ী বাংলা চলচ্চিত্র আম্মাজান মুভি ইনফোঃ চলচ্চিত্রঃ আম্মাজান ৷ জনরাঃ ফ্যামিলি ড্রামা, ট্র্যাজেডি, ক্রাইম ৷ পরিচালক: কাজী হায়াৎ প্রযোজক: মনোয়ার হোসেন ডিপজল রচয়িতা: কাজী হায়াৎ (সংলাপ) চিত্রনাট্যকার: কাজী হায়াৎ গল্পকার: ডিপজল অভিনয়েঃ মান্না, মৌসুমি, আমিন খান, ডিপজল, শবনম, কাজী হায়াৎ প্রমূখ ৷ সুরকার: আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল চিত্রগ্রাহক: হারুন আল রশিদ সম্পাদক: আমজাদ হোসেন পরিবেশক: অমি বনি কথাচিত্র মুক্তি: ২৫...