আমি সালমান খানের একজন বিগ-ফ্যান, এর হাজারটা কারণ বলতে পারবো। সালমানের সব চেয়ে যেটা আমার কাছে বেশী ভালো লাগে তা হলো, সে এ পর্যন্ত কোন মুভিতে নায়িকার সঙ্গে লিপ-কিস করেনি। এ সম্পর্কে তাকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, ছোটবেলায় যখন তিনি মুভি দেখতে বসতেন তখন লিপ-কিসের কোন সিন আসলে লজ্জায় পড়ে যেতেন। এরপর যখন নিজেই সুপারস্টার হলেন তখন মুভি করার সময় এই বিষয়টা সব সময়ই তার মাথায় থাকতো। সালমান খানের ভাই হলো আরবাজ খান। সালমানের সারা জীবনে লিপকিসের যেই ঘাটতি ছিলো আরবাজ এসে এক ‘তেরা ইন্তেজার’ মুভিতেই সবটা পুষিয়ে দিয়েছে। সাথে সাথে ঢলাঢলি, ঘষাঘষি ও মাংসের স্তূপ নিয়ে লাফালাফি একদম ফ্রী।

Tera Intezaar (2017)

Tera Intezaar (2017) মুভি রিভিউ

এবার মুভি সম্পর্কে কিছু বলি। সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন রাজিব ওয়ালিয়া। আমি এই পরিচালক সম্পর্কে কিছু বলতে চাই না। তিনি বলিউড জগতটাকে এতটাই দুর্গন্ধময় করে তুলতে সক্ষম হয়েছেন যে, এখন মোটামুটি নাক চেপেই এখানে আসতে হয়। সম্ভবত ২৪ নভেম্বর সিনেমাটি মুক্তি পেয়েছে। মূল অভিনয়ে রয়েছে সানি লিওন। এই মধুর নামটা নাকি অনেক যুবকের স্লিপিং-পিলের কাজ দেয়। এতে তার বিপরীতে অভিনয় করেছেন আরবাজ খান। আরবাজকে দেখে কেউ হতাশ হবেন না। সানি যেখানে লম্ফন করেছে আরবাজ সেখানে কম্পন দেখিয়েছে। নাচন-কোদনে কেউ কারো থেকে কম যায়নি। মুভিটি নাকি সেন্সর বোর্ডে প্রদর্শিত হয়েছে। বোর্ডের পক্ষ থেকে ‘এ’ (অ্যাডাল্ট) সার্টিফিকেট পেয়েছে ইরোটিক-থ্রিলার ঘরানার সিনেমাটি। যেহেতু ‘তেরা ইন্তেজার’ ইরোটিক সিনেমা হিসেবে প্রচার করা হয়েছে এবং এতে আরবাজ ও সানির অন্তরঙ্গ এবং রোমান্সের দৃশ্য রয়েছে, তাই কোনো ধরনের দৃশ্য বাদ পড়লে সিনেমাটির ভাবমূর্তি নষ্ট হয়ে যাবে। সুতরাং কোন মজাদার দৃশ্য এর থেকে বাদ দেয়া হয়নি। এবার হয়ত অনেকেই ভাবছেন যে, তাহলে মুভিটা দেখা যায়। আসলে আপনার সময় আপনি কোন কাজে খরচ করবেন আর কোন কাজে নষ্ট করবেন সেটা আপনার ব্যাপার। তবে অখাদ্য খেয়ে পেট খারাপ করার আগে অন্তত আমি আপনাকে সতর্ক করে দেয়া কর্তব্য মনে করছি।

সানি লিওন এ পর্যন্ত যতগুলো মুভি করেছে এর মধ্যে ‘এক পেহলি লিলা’ কোন রকমে গলাধঃকরণ সম্ভব হলেও বাকিগুলো কোনভাবেই সম্ভব হয়নি। সহজ একটা প্রশ্ন- আপনি সানির মুভি কেন দেখবেন? যদি বলেন, তার দেহ উপভোগ করার জন্য, তার উঁচুনিচু ও আঁকাবাঁকা পথগুলো বিচরণ করার জন্য। তাহলে আমি বলবো, এ জন্য তিন ঘন্টার মুভি দেখবেন কেন, পর্ণই তো দেখা যায়। আর যদি বলেন, মুভি দেখার সম্পূর্ণ বিনোদন উপভোগ করার জন্য। তাহলে আমি বলবো, এ জন্য সানির মুভি কেন? তার অভিনীত সিনেমাগুলো মুভির ধারে কাছেও যায় না। তেরা ইন্তেজার মুভিটাই দেখুন। বীর সিং রাজপুত (আরবাজ খান) অত্যন্ত প্রতিভাবান একজন অংকন শিল্পী। চারদিনের এক ঘোরে পাওয়া সময়ের ব্যাপ্তিতে সে তার স্বপ্নের নারীর পোর্ট্রেট এঁকে ফেলে। ছবির নারীটি রওনক (সানি লিওন) ছাড়া অন্য কেউ নয়। রওনক একটি আর্ট গ্যালারির মালিক। কাকতালীয় হোক বা কাহিনীর প্রয়োজনে রওনকের সঙ্গে বীরের দেখা হয়ে যায়। স্বাভাবিকভাবেই তারা অন্তরঙ্গ হয়। তারপর চলতে থাকে… (বাকিটা বুঝে নিন)।

এই মুভি সম্পর্কে আরবাজ খানের একটি উক্তি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। সে বলেছে, ‘আমার সিনেমায় এমন কিছু দৃশ্য রয়েছে, যা সালমান কখনো করেননি। কিন্তু চিত্রনাট্যে যা বলা আছে তাই হয়েছে। সবকিছু সিনেমা ও চরিত্রের প্রয়োজনেই হয়েছে। এগুলো করতে আমার কোনো আপত্তি নেই এবং আমি খুব আনন্দ পেয়েছি’।

হ্যাপি ওয়াচিং✌

মুভি রিভিউ লিখেছেনঃ Mahbub Abdullah

Tera Intezaar (2017) - মুভি রিভিউTankiBazzবলিউড মুভি রিভিউTera Intezaar (2017)
আমি সালমান খানের একজন বিগ-ফ্যান, এর হাজারটা কারণ বলতে পারবো। সালমানের সব চেয়ে যেটা আমার কাছে বেশী ভালো লাগে তা হলো, সে এ পর্যন্ত কোন মুভিতে নায়িকার সঙ্গে লিপ-কিস করেনি। এ সম্পর্কে তাকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, ছোটবেলায় যখন তিনি মুভি দেখতে বসতেন তখন লিপ-কিসের কোন সিন আসলে...