Turtles Can Fly (2004) ইরাকে মার্কিন সৈন্য বাহিনীর সাদ্দাম পতনের যে অভিযান সঙ্ঘটিত হয়েছিল ২০০৩ এ তারই এক টুকরো প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠে এসেছে ছবিটিতে – মুভি রিভিউ

Kai Po Che

Turtles Can Fly মুভি ইনফোঃ
Turtles Can Fly (2004)
IMDb: 7.8/10 Personal: 8.0/10
Country: Iraq-Iran Joint Production
Metacritic: 85%
Rotten Tomatoes: 88%

Turtles Can Fly রিভিউঃ

একটু অবাক। একটু কষ্ট পাচ্ছি। একটু করে সহানুভূতি আর একটু করে এর প্রকাশের চেষ্টা।
একবার মনে হচ্ছে কেন দেখলাম? আবার মনে হচ্ছে অনেক আগেই দেখার দরকার ছিল।

পেপার খুললে প্রতিদিনই দেখতে পাই, স্বাধীন বাংলাদেশে কি পরিমাণ শিশু নির্যাতিত হচ্ছে, অথবা দেখতে পাই পথে ঘাটে অনেক পথশিশু সামান্য কয়টা টাকার বিনিময়ে ভারী, বিপজ্জনক কাজে লিপ্ত হচ্ছে। অনেকেই ভাবেন এদের জন্য আর কেউ কেউ আমার মতন চোখ-মুখ বুজে থাকেন।
আর ভাবি, ১৯৭১ এ পাকিস্তানি রা কি পরিমাণ অত্যাচারই না করেছিল আমার মা-বোনদের উপর। এবং দুটোর মাঝে তুলনা করে দেখি;কী পরিবর্তন এসেছে এই স্বাধীন দেশে!

::► কাহিনীসংক্ষেপঃ
ইরাকে মার্কিন সৈন্য বাহিনীর সাদ্দাম পতনের যে অভিযান সঙ্ঘটিত হয়েছিল ২০০৩ এ তারই এক টুকরো প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠে এসেছে ছবিটিতে। মূলত কুর্দিশদের উপর সাদ্দাম বাহিনীর অত্যাচার ও কুর্দিশদের মার্কিন বাহিনীর প্রতি একনিষ্ঠ সমর্থন দেখা যায় ছবিতে।

ছবির শুরুতে দেখা যায়, এক বালক তার আসল নাম ছাপিয়ে সবার কাছে পরিচিত “স্যাটেলাইট” নামে। সে থাকে ইরাক-তুর্কি বর্ডারে রিফিউজি ক্যাম্পে। সেইখানে সেই ডিশ এ্যান্টেনা মেরামত সহ নানা ধরণের ডাইমেনশনাল ব্যাবসায়িক কাজ লিপ্ত। তার অধীনে ঐখানকার প্রায় সব ছোট বাচ্চারা কাজ করে। তবে সে যাই করুক না কেন তাতে সেইখানকার অধিবাসীদের উপকারই হয়। তেমন একটা কাজ হল, বাচ্চাদের দিয়ে মাইন সংগ্রহ করানো এবং সেইগুলো অল্পদামে এক কুর্দিশ লোকের কাছে বেঁচে দেওয়া।

ডিশ এ্যান্টেনা মেরামতের কাজ করাকালে তার পরিচয় হয় আরগিন নামের একটি মেয়ের সাথে। এবং ক্ষণিকের দেখায় “স্যাটেলাইট” তাকে পছন্দ করে ফেলে। এইদিকে সে জানতে পারে মেয়েটির দুইটি ভাই আছে। একটি ছোট ও একটি তার বড়। বড় ভাইয়ের দুটো হাত মাইনে উড়ে গেছে। এছাড়া গোপনে জানতে পারে বড় ভাইটি ভবিষ্যত দেখতে পারে। কিন্তু কাউকে সে তা জানতে দেয়নি।
মেয়েটিকে স্যাটেলাইট নানাভাবে সাহায্যের চেষ্টা করে। কিন্তু মেয়েটির ভাবলেশহীন আচরণ আর করুণ চেহারা দর্শকদের মনে সন্দেহের উদ্রেক জাগায়। কেন মেয়েটি এমন করছে?
এইদিকে দেখা যায়, মেয়েটি তার বড় ভাই এর সাথে তর্ক করছে ছোট ভাই কে নিয়ে। মেয়েটি ছোট ভাইটিকে এইখানে ফেলে চলে যেতে চায়। কিন্তু বড় ভাই বলে “এ তোমার ছেলে!”

এই পর্যায়ে এসে দর্শকরা আরো আগ্রহ বোধ করবে, আসলে কে এই ছেলেটি? কেন মেয়েটি ছোট ভাইকে ফেলে চলে যেতে চায়?

একদিন স্যাটেলাইটের সাথে কথা বলার সময় মেয়েটি বলে, তার বড় ভাই আগে দুইটি ভবিষ্যতবানী দিয়েছিল। তাই সে তার মা-বাবা কে হারিয়েছে ও পাশাপাশি আরেকটা বিপর্যয় নেমে এসেছে তাদের জীবনে। কি সেই ঘটনা?

মেয়েটি সুযোগ পেলেই আত্মহত্যা করতে চায়। কিন্তু কেন? তা জানতে হলে দেখতে হবে অসাধারণ মেকিং এর মুভিটি। মুভিটির প্রতিটি মুহুর্ত, স্যাটেলাইটের ভাল লাগা, মেয়েটির জন্য যে কোন কিছু করতে রাজি হওয়া, এককথায় অসাধারণ। যুদ্ধের ডামাডোলেও ভাললাগা বা ভালবাসা থেমে থাকেনা, তার প্রতিচ্ছবি দেখা যায় এই ছবিতে।

সত্যি বলতে কি, মুভিটি দেখার পর আমি কিছুক্ষন স্তম্ভিত হয়ে ছিলাম। আমি নিশ্চিত যারা দেখবেন আগ্রহ নিয়ে তারাও আমার মতনই এমনটি হবেন।

দেখার অনুরোধ রইল।

হ্যাপি ওয়াচিং✌

মুভি রিভিউ লিখেছেনঃ ‎Md Taifur Azam Mojumder

[review]

Turtles Can Fly (2004) একটু করে সহানুভূতি আর একটু করে এর প্রকাশের চেষ্টা - মুভি রিভিউTankiBazzহলিউড মুভি রিভিউ2004,Turtles Can Fly
Turtles Can Fly (2004) ইরাকে মার্কিন সৈন্য বাহিনীর সাদ্দাম পতনের যে অভিযান সঙ্ঘটিত হয়েছিল ২০০৩ এ তারই এক টুকরো প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠে এসেছে ছবিটিতে - মুভি রিভিউ Turtles Can Fly মুভি ইনফোঃ Turtles Can Fly (2004) IMDb: 7.8/10 Personal: 8.0/10 Country: Iraq-Iran Joint Production Metacritic: 85% Rotten Tomatoes: 88% Turtles Can Fly রিভিউঃ একটু অবাক। একটু কষ্ট...